পাঠকের চিঠি

‘এমপির মেয়েকে’ নিয়ে একি বললেন তসলিমা নাসরিন!

  

পিএনএস ডেস্ক : রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরের স্কলাস্টিকা স্কুলের সামনে ডাবল লেনে পার্কিং করে রাখা প্রাইভেটকারটিকে সরিয়ে দিতে অনুরোধ করতে করতে এগোচ্ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ঝোটন সিকদার। কিন্তু গাড়ির ভেতরে থাকা নারী তার সেই বিনীত অনুরোধের জবাবে উল্টো নিজেকে এমপির মেয়ে দাবি করে হুমকি-ধামকি দেন। সার্জেন্ট ঝোটন সেই হুমকির ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেন। মূহুর্তেই তা ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে। বইতে থাকে সমালোচনার ঝড়।ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িতে বসা ওই নারী সার্জেন্টকে হুমকি দিয়ে

ধর্ষণ রাজ্যপুরি হচ্ছে বাংলাদেশ!

  

পিএনএস (এস এম শামীম) : সারাদেশে ধর্ষণ এখন নিত্যদিনের ঘটনা। বর্তমান সময়ে টেলিভিশন, সংবাদপত্রসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ পড়লেই দেখা যায় ধর্ষণের খবর। গত কয়েক মাসে গণমাধ্যমে প্রকাশিত ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের সংখ্যা কত তার সঠিক হিসাব মেলানোও সম্ভব হবে না। কিন্তু কেন হচ্ছে এমন? কেন প্রতিবাদ করে ধর্ষণ প্রতিরোধ করতে পারছি না আমরা? আমরা কি ধর্ষকদের কাছে জিম্মি? নাকি আমরা প্রতিবাদে অক্ষম? কেন ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে কাঁপছে না এদেশ? বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ষণ একটি মারাত্মক

বন্ধ হোক ভিক্ষা বাণিজ্য?

  

পিএনএস, (মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ ইলিয়াস) : পা ভাঙ্গা অথচ হুইল চেয়ারে বসে চা বিক্রি করেন কিংবা অটোরিক্সা চালান,মহিলা হয়েও চলন্ত বাসে চকলেট বিক্রি করেন ,লম্বায় খাটো হওয়ার পরেও ড্রাইভারের সিটে বসতে না পেরে দাঁড়িয়ে থেকে সারাক্ষণ ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, এমনকি অন্ধ হওয়ার পরেও ভিক্ষা না করে নিজে পেডেল দেন আর ছেলেকে ভ্যানের সামনে বসিয়ে ভ্যানের হ্যান্ডেল ঠিক রাখেন ,আশি বছরের মত বৃদ্ধ হয়েও ভিক্ষা না করে পাপড় বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন ।

যে কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমর্থন করেন তসলিমা নাসরিন!

  

পিএনএস ডেস্ক : বাংলাদেশের স্কুলছাত্ররা দেশ বদলে ফেলবে, এমন অসম্ভব কল্পনা আমি করিনি। এই অদ্ভুত কল্পনাও আমার আশেপাশে আসেনি যে, স্কুলের ছাত্রদের অনুরোধে বা আদেশে বাংলাদেশের কোনও গাড়িচালকই আর লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না, মোটরসাইকেল চালকরা হেলমেট পরবেন, সবাই ট্রাফিক আইন পালন করবেন। দু’তিন দিনের মধ্যে ছাত্ররা যে পরিবর্তন এনেছিল ঢাকার রাস্তায়, তা শুধু আমাকে নয়, অনেককেই মুগ্ধ করেছে। কিন্তু যে কোনও সফল আন্দোলনের মধ্যে যেমন মন্দ লোকেরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ আদায় করতে ঢুকে যায়, নিরাপদ সড়কের এই

ইয়াবা-বদি কাহিনী !

  

পিএনএস (তরিক রহমান) : ‘সাত দিন ধরে ধৈর্য ধরেছি। আজকে পুলিশকে অপমান করা হয়েছে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগ অফিসের দিকে গোলাগুলি করতে করতে আসবে, তো তাদেরকে কী বল প্রয়োগ করবে না কি চুমু খাবে?’ হুবহু এই কথাটিই একটি টিভি সাক্ষাৎকারে সরাসরি বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়দুল কাদের।এই বক্তব্য শুনে একজন বলছেন, ‘শাহজান খান’ থেকে ‘চুমু খান’ ভালো, কেননা চুমু খেতে প্রেম লাগে, আর ধর্ষণ করতে শক্তি লাগে।’আমি বলি কী, কাদের সাহেব, আপনি কোমলমতি শিশুদের বাঁচতে চাওয়া আন্দোলনে গিয়ে চুমু খেয়ে ক্ষমা

‘সত্য বলতে গিয়ে তিনি হয়ে গেলেন জামাত!’

  

পিএনএস ডেস্ক :টিউশনি শেষ করে ২০০৪ সালে নভেম্বর মাসের কোন এক রাতে ষোল শহর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। ৮.৩০ মিনিটে ট্রেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্দেশ্য ছেড়ে যাবে।কিছু দূরে আমার প্রিয় শিক্ষক জনাব আলী আর রাজী স্যারের মত কাকে যেন দেখা যাচ্ছে। আমি এগিয়ে গেলাম। সামনে যাওয়ার পর তিনি আমাকে বললেন কামাল আপনি কোথায় থেকে এলেন?বললাম স্যার, অলক স্যারের বাসায় টিউশনি শেষ করে ক্যাম্পাসে ফিরছি। কামাল আমিও আপনার সঙ্গে ট্রেনে করে ক্যাম্পাসে যাব। যদিও ট্রেন একেবারে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য

'টেকা দিবি নাকি কাপড় খুইল্যা ড্যান্স দেখামু'

  

পিএনএস ডেস্ক : মধ্যরাত। দিনাজপুরগামী দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনে আমরা আট জন। অন্ধকার কামরায় প্রায় সবাই ঘুমিয়ে। চোখ বন্ধ করে ঝিম মরে আছি নিজেও...হুট করে কামরায় সোরগোল, হাতে তালি , চেঁচামেচি।চোখ জোড়া বন্ধ রেখেও বুঝতে দেরী হলো না কি হচ্ছে কামরাতে। প্রায় ৬/৭ জন হিজড়া এই মাঝরাত্রিরে শুরু করেছে তাদের চাঁদাবাজি। কানে ভেসে আসছে অশ্লীল কথা, গালাগালি, হুমকি ধামকি..."টেকা দিবি কিনা বল, নইলে কাপড় খুইল্যা ড্যান্স দেখামু।"কেউ আরেকজন হাত তালি দিতে দিতে কাকে যেন বলছে "সুন্দরী মাইয়া নিয়া

‘মূল ধারার’ গণমাধ্যমে কপি-পেস্টের প্রভাব!

  

পিএনএস ডেস্ক : যেদিন থেকে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’, ‘অপসাংবাদিকতা’, ‘অ-সাংবাকিতা’, ‘কু-সাংবাদিকতা’র মতো বিতর্কিত বিশেষণগুলো গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে; সেদিন থেকেই এর বিপরীতে আরেকটি শব্দ শক্তভাবে অবস্থান করে নিয়েছে। তা হচ্ছে- ‘মূল ধারার সাংবাদিকতা’। বিশ্বব্যাপী যখন সাংবাদিকতা বিতর্কের মুখে পড়ে তখনই আমরা আশ্রয় খুঁজি এই ‘মূল ধারার সাংবাদিকতা’ বিশেষণটির মধ্যে। তথ্য-প্রযুক্তির প্রসারের যুগে মুহূর্তে যেমন খবর ছড়ায় তেমনি মুহূর্তেই ছড়ায় যত বিভ্রান্তি। বরং বর্তমানে খবরের চেয়ে অ-খবরই বেশি ছড়ায়-বলা যায়। আর

কোরিয়ানদের দেখে শুধু মুগ্ধই হচ্ছি

  

পিএনএস (মোহাম্মদ হানিফ) : আধুনিক বিশ্বে নাগরিক সুবিধা ও উন্নত জীবনধারার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার সুখ্যাতি সর্বজনবিদিত। উত্তর-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। এটি বিশ্বে তৃতীয় প্রযুক্তির দেশ। জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মাধ্যমে আজ দক্ষিণ কোরিয়া উন্নতির শিখরে উঠ গেছে। বাংলার একঝাঁক তরুণের অবস্থান এই স্বপ্নের দেশ দক্ষিণ কোরিয়াতে।দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী শহর সিউল। ইনছন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘেঁষেই এই অত্যাধুনিক শহর মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও পর্যটন শহর হিসেবে নাম কুড়িয়েছে

‘আপনাদের ইমোশনাল করতে চাইনি’

  

পিএনএস ডেস্ক : আসসালামু আলাইকুম, আগে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সবার টেক্সট'র রিপ্লে দিতে না পারাতে! কালকে যে অসহায় বাচ্চা আর মহিলার ভিডিওটি যাদের ইমোশনাল করেছে, তাদের কাছেও ক্ষমা চাচ্ছি। আসলে আমি আপনাদের ইমোশনাল করতে চাইনি। আমি শুধু সমাজের প্রতিদিনের একটি করুণ দৃষ্টি তুলে ধরতে চেয়েছি! প্রতিদিন বা মাঝে-মাঝেই এইসব ফেস করতে হয়। তাই চেয়েছি আপনারা যাতে নিজ নিজ জায়গা থেকে তাদের জন্য একটু এগিয়ে আসেন। যাতে মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ না থাকে। কারণ আমি বিশ্বাস করি সবার উপরে মানুষ সত্য! ভিডিওটা আপ দিয়ে আমি

Developed by Diligent InfoTech