পাঠকের চিঠি

এই ঈদে ঘুরে আসুন দেশের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী শহরে; পর্ব ১ (ভিডিও)

  

পিএনএস ডেস্ক: কর্ম ব্যস্ততার মধ্যেই সারা বছর চলে যায় শহরের মানুষের জীবন। চারদিকে ইট-পাথরের দেয়ালের মধ্যে জীবন ধারণ করতে করতে জীবনটাও হয়ে উঠছে অস্বস্তিতে। এই অবস্থায় নিজেকে সবুজের মাঝে বিলিয়ে দিতে পারলে হয়তো কিছুটা হলেও স্বস্থি ফিরে আসবে মনে প্রাণে। তাই হয়তো ভাবছেন, ঈদে ঘুরতে যাবেন! কিন্তু কোথায় যাবেন? চট্টগ্রাম, সিলেট, কুয়াকাটার মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেছেন এবার হয়তো আপনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে উপভোগ করে আসতে পারেন ঐতিহাসিক একটি স্থান। যেখানে একবার ঘুরে আসলে আপনার পছন্দের তালিকায়

বাবারা বড্ড বোকা...!

  

পিএনএস: হাঁটতে শেখা, বলতে শেখা..মানুষ হওয়ার যাত্রায়...বাবা দিলেন সেরা দীক্ষা..বন্ধন গেঁথে আত্মায়...বাবা কেমন সত্ত্বা তা বুঝতে হলে তাদের উপলব্ধিকে উপলব্ধি করুণ, যাদের বাবা গত হয়েছে। ধরণীর বুকে তারাই তো সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভূক্ত যাদের বাবা জীবিত। বাবা যে সন্তানের জন্য কত বড় বটবৃক্ষতুল্য তা কেবল তারাই অনুভব করেন যাদের বাবা নাই কিংবা যারা তেমন করে আঘাত পেয়েছেন। পুরুষকূলের মধ্যে পৃথিবীতে এই একটি মাত্র মানুষ যিনি আপনাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসেন; সতত-সর্বত্র। সন্তানের সুখের জন্য যিনি

চাঁদ দেখাতেই বন্দী যাদের ঈদের খুশি...

  

পিএনএস ডেস্ক: কুহেলির অন্ধকার হঁটিয়ে হাসি-আনন্দের পয়গাম নিয়ে ঈদের চাঁদ উঠি উঠি করছে। শাওয়ালের একফালি বাঁকা চাঁদ ধরাবাসীর জন্য পূর্ণত্তোম আনন্দের বার্তা নিয়ে আগমনের প্রতীক্ষায়। সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়, ‘শত যোজনের কত মরুভূমি পারায়ে গো/কত বালুচরে কত আঁখি-ধরা ঝড়ায়ে গো/বরষের পরে আসিল ঈদ!’ ঈদের আগমন ঘটবে অথচ আমাদের নতুন পোশাক হবেনা-এটা যেন মানার নয়। তাইতো ঈদকে সামনে রেখে দেশব্যাপী কেশাগ্র থেকে নখাগ্র অর্থ্যাৎ শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য নতুন কিছু কেনার আয়োজন চলছে। শহর-বন্দরের

দারুণ বুদ্ধি অর্থমন্ত্রীর!

  

পিএনএস ডেস্ক : বেতনের টাকা থেকে সরকারকে আয়কর দিতে হয়। যে বাড়িতে থাকি তার ট্যাক্স দিতে হয়। বিদ্যুৎ বিল দেবো সেখানেও ভ্যাট দিতে হয়। আপনজনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বললেও দিতে হচ্ছে কর। অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে দিতে হয় মোটা অঙ্কের ফি। আগে যে ডাক্তার ফি নিতেন ৫০০ টাকা। বর্তমানে সেই ডাক্তারকে দিতে হয় হাজার টাকা। রিপোর্ট দেখাতেও দিতে হয় ৫/৬ শ’ টাকা। কারণ ডাক্তারও যে আয়কর দেন। সে আয়করতো উঠাতে হবে রোগীর কাছ থেকেই। ওষুধ কিনতে গেলাম সেখানেও ভ্যাট সংযুক্ত করে সিরাপ, ইনজেকশন, ইনসুলিন, ক্যাপসুল ও

সু চি আর নেই সেই সু চি!

  

পিএনএস (সাইফুল সামিন) : শৈশব-কৈশোর থেকেই সু চির নাম শুনছি। মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি। গণমাধ্যমের চিত্রায়ণে তিনি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ‘মূর্ত প্রতীক’ হয়ে ওঠেন।গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ায় কয়েক মেয়াদে প্রায় ১৫ বছর গৃহবন্দী ছিলেন সু চি। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অহিংস লড়াই-সংগ্রামের নজির স্থাপনের জন্য ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পান তিনি।২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্তি পান সু চি। সেদিন মনে হয়েছিল, এবার বুঝি মিয়ানমারে গণতন্ত্র আসবে। সু চির হাত ধরে

“বঙ্গবন্ধু ভারতের সাথে মিত্র ও বন্ধু থাকতেই চেয়েছিলেন, আধিপত্য চাননি”

  

পিএনএস ডেস্ক:১৯৭২ সালের ৩রা জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। ১০ই জানুয়ারী প্রথমে তিনি দম দম বিমান বন্দরে যাত্রা বিরতি শেষে ঢাকায় আসবেন। সেই মোতাবেক হিন্দুস্থান সরকার মিত্র বাহিনী, জনগন ও প্রধানমন্ত্রী শ্রীদেবী ইন্দিরা গান্দি বঙ্গবন্ধুকে ফুলেরমালা দিয়ে বরণ করবেন। এই আনন্দে হিন্দুস্থানের সর্বস্তরে প্রস্তুতি ও হৈ হৈ রৈ রৈ অবস্থা বিরাজ কাছে। ৮ জানুয়ারী প্রথমে তিনি পাকিস্তানের বিমানে করে লন্ডন চলে যান । সেখানে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী হিথোর সাথে দেখা

অমর-অম্লান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান

  

পিএনএস ডেস্ক: মানুষকে বড় করে তার কর্ম। মানুষ মরে গেলেও বেঁচে থাকে তার কর্মের মাধ্যমে। কর্মের জন্যই মানুষ ইতিহাসে অম্লান, অমর, সম্মাণিত হয়ে চিরকাল বহমান থাকে। যুগ-যুগান্তরে শতাব্দী ধরে অমরকৃতি মানুষের নাম, আর্দশ, কর্ম ও নীতিমালা প্রজন্মের মাঝে থাকে চিরঞ্জীব হয়ে। আমাদের এই দেশ ও জাতির মাঝে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, স্ব-নির্ভর বাংলাদেশের স্থপতি, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রাণপুরুষ, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান

আওয়ামী লীগ যখন বিএনপি হতে চায়!

  

পিএনএস (এ কে এম জাকারিয়া) : ধর্মকে রাজনীতির ইস্যু বানিয়ে যে দলটি বাংলাদেশে সবচেয়ে লাভবান হয়েছিল, তার নাম বিএনপি। একই পথের পথিক জাতীয় পার্টিও। তারা ধর্মকে ব্যবহার করেছিল ক্ষমতায় টিকে থাকতে। ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর ভোটের রাজনীতিতে তারা আর সুবিধা করতে পারেনি। ধর্ম নিয়ে রাজনীতির ফল সব সময় বিএনপির ঘরেই গেছে। এ পরিস্থিতি পাল্টানোর কৌশল আওয়ামী লীগ নিতে শুরু করেছে বেশ আগেই। বিএনপির এই রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ স্পষ্টতই ভাগ বসাতে চায়। আওয়ামী লীগ যেন বিএনপি হওয়ার চেষ্টায় নেমেছে।বিএনপির নিজের রাজনীতিতেই

রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা

  

পিএনএস (লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ) : মহান আল্লাহ তায়ালা বছরের বিভিন্ন মৌসুমকে বিভিন্ন ফসলের জন্য অপেক্ষাকৃত উপযোগী করে সৃষ্টি করেছেন। যদি সেই নির্দিষ্ট মৌসুমে তার উপযোগী ফসলের চাষ করা হয় তবে অধিক লাভবান হওয়া যায়। তেমনি করে বছরের কোন কোন মাস ও তার দিবা রাত্রিকেও তিনি ইবাদতের জন্যে বিশেষভাবে বরকতময় ও বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করে রেখেছেন। এ সকল বরকতময় সময়গুলোতে সামান্য মেহনত করে যে বিশাল প্রতিদানের অধিকারী হওয়া সম্ভব, তা অন্য সময়ে অধিক মেহনত করেও অর্জন করা সম্ভব নয়। এই ধরনের বরকতময় সময়গুলোর মধ্য হতে পবিত্র

বৃদ্ধাশ্রম থেকে ছেলের কাছে অসহায় বাবার চিঠি !

  

পিএনএস ডেস্ক : প্রিয় সোনামানিক,তুমি কেমন আছ একথা জিজ্ঞাসা করা সম্পূর্ণ নিরর্থক মনে করছি। তুমি ভাবছ হয়ত তোমার বাবা আগের মত তোমায় ভালোবাসে না। যদি এটা ভেবে থাক তবে তোমার সেই ছোট্টবেলার মত আরেকটি ভুল করলে। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি তুমি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো আছ কেননা আমরা দোয়া যার সাথে সর্বদা জড়িয়ে থাকে সে খারাপ থাকতে পারে এটা আমি বিশ্বাস করিনা।আমরা বউমা এবং প্রিয় দাদুভাইয়েরাও ভালো আছে বলে বিশ্বাস। আমি কোন মেয়ের বাবা হতে না পারলেও তোমাকে বিবাহ দিয়ে যে লক্ষ্মী বউমাকে পেয়েছিলাম তাকে

Developed by Diligent InfoTech