পাঠকের চিঠি

ঝরা পতা

  

পিএনএস : (মোহাম্মদ হানিফ, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে) : প্রকৃতির দরজায় কড়া নাড়ছে শীত। চারদিকে পাহাড়ে ঘেরা সবুজ গাছপালার প্রকৃতির বাহার। এসময়ে প্রকৃতিও যেন তার আপন রং বদলায়। গাছের পাতাগুলো কেমন যেন রং পাল্টাতে শুরু করেছে, সবুজ থেকে হলুদ বর্ণ, সবশেষ লালচে বর্ণের। বিবর্ণ পাতাগুলো আস্তে আস্তে ঝরতে শুরু করে। একটা সময়ে পাতাগুলো সব ঝরে পড়ে আর শূন্য ডালপালা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে শুধু গাছের গুঁড়িটি। বলছিলাম চার ঋতুতে বৈচিত্র্যময় দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার কথা। কোরিয়ান ভাষাতে, 봄(বোম) বসন্ত, 여름(ইওরূম)গ্রীষ্ম, 가을(খাঊল)শরৎ ও

প্রসঙ্গঃবিয়া ও কালচারাল কুফু

  

পিএনএস (আতিক মরিসকো) : মুল লেখায় যাওয়ার আগে একটা কনসার্নিং ইনফরমেশন দিয়ে শুরু করি। বেশ সপ্তাহ খানিক আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার ফ্যাকাল্টির এক‌টি ডিন অফিসের ভিতরে এক‌টি নোটিশ দেখে চোখ পুরো উল্টে যায়। মালেয়শিয়াতে তালাক বা ডিভোর্স এর হার মহামারি আকার ধারণা করেছে। তাই গভার্নমেণ্ট বাধ্যতামূলক প্রিম্যারেজ কোর্স করেছে ।শুনেছি ঢাকায় নাকি প্রতি ঘন্টায় ১টা ডিভোর্স!!!যাইহোক, আমার ধারণা এসব এর পিছনে অন্যসব কারণের পাশাপাশি কালচারাল কুফু বা মানুসিক সাম্যতা একটা ফ্যাক্টর। এবার চলেন মুল কথায়

এবার লড়াই হোক ব্যাংক শেয়ারবাজার লুটেরাদের বিরুদ্ধে

  

পিএনএস: আশির দশকে অন্ধকার জগতে ছিল নিউইয়র্ক শহর। মাফিয়াদের দাপটের মুখে অতিষ্ঠ, অসহায়, জিম্মি ছিল সাধারণ মানুষ। কোথাও আইনশৃঙ্খলা, শান্তি, স্থিতিশীলতা ছিল না। মাফিয়ারা যা খুশি তা করে বেড়াত। কেউ কিছু বলতে পারত না। কারও সাহসও ছিল না। পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখত। মাফিয়ারাই নিয়ন্ত্রণ করত নিউইয়র্ক শহর। মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের অবৈধ ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে শহরে। বিশেষ করে মাদক সাম্রাজ্যের বিকাশ ছিল ভয়াবহ। কালো অপরাধীরা যখন তখন ছিনতাই করত। খুন-খারাবি করত। বাংলাদেশের প্রবাসীরা শান্তিতে ছিল না। ট্রেনে উঠত তারা

এবার বল, কোন বাপের শক্তিতে এতো বড় লুটেরা হলি?

  

পিএনএস : তুই (জি কে শামীম) কোন বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর মালিক যে তোকে সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলতে হয়? তোর ঘরে পাওয়া যায় নগদ ১০ কোটি টাকা ও ২শ' কোটির চেক? এফডিআর, অস্ত্র-গোলাবারুদ! পথের দুই টাকার যুবদল কর্মী থেকে এক টাকার যুবলীগ কর্মী হয়ে আজ তোর কোন বাপের শক্তিতে বঙ্গবন্ধুর নাম বিক্রি করে তিন টাকার ঠিকাদার এতো বড় লুটেরা হলি? তোর বাপদের নাম এবার বল। একটাতো ফ্রিডম পার্টি থেকে এসে যুবলীগ নেতা হয়ে ক্যাসিনো মালিক, চাঁদাবাজ হয়েছিলো।মুজিব কন্যা বলেছেন একে একে সব ধরা হবে। সারাদেশে অবৈধ লুটের টাকায় যারা

টেলিভিশন মালিকেরা স্বাধীনভাবে সরকারকে খুশি রাখেন

  

পিএনএস :টেলিভিশনের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শতকরা একশ ভাগ ঠিক কথা বলেছেন। সত্যিই টেলিভিশনগুলোর মালিকদের পুরোপুরি স্বাধীনতা রয়েছে৷ স্বাধীনভাবেই তারা জানার উপায় খুঁজে বার করেন, কীসে সরকার খুশি হবে আর কীসে বেজার।কারণ বিষয়টি আদর্শলিপির মতো সরল, সরকার খুশি থাকলে মালিকদের ভালো, সরকার বেজার হলে মালিকদের জীবনে নেমে আসতে পারে অন্ধকার৷ মালিকদের স্বাধীনতা মানে যে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নয়, তাও দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট।দেশের টেলিভিশন চ্যানেলের মালিকেরা বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ

ডেঙ্গু নিয়ে যা কেউ বলেনি

  

পিএনএস(মুজতাবা তামীম আল মাহদী) : ডেঙ্গু নিয়ে খুব আতঙ্কের মধ্যে দিনকাল কাটছে। এর মধ্যেই কিছু অদ্ভুত চিন্তা আর প্রশ্ন জেঁকে বসলো মাথায়। নিজে নিজে খুঁজে বের করলাম উত্তরও। আপনিও জেনে দেখুন। অবাক না হয়ে পারবেন না।ছোটবেলায় পড়েছিলাম অনেক ধরনের মশার কথা। এনোফিলিস, কিউলেক্স আর এডিস মশা। প্রত্যেকটা ভিন্ন ভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে। এই ভিন্নতার কারণ কি? যেহেতু এখন ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি, তাই আমার জানতে ইচ্ছা হলো-ডেঙ্গু ভাইরাস কেন এডিস মশাই বহন করে?উত্তর পেলাম, মানুষের জন্য ক্ষতিকর কোনো জীবাণু বহন

এখনকার দিনে মানুষ মানুষকে পেটায় সাপের মতো!

  

পিএনএস ডেস্ক: সাপ পেটানো দেখেছেন? ছোট সময় দু-একবার হয়তো নির্মম এই হত্যায় শামিলও হয়েছেন কেউ কেউ। গ্রামে এটি খুব পরিচিত দৃশ্য। সাপ মারা শেষে লাঠির মাথায় নিয়ে ছেলেপুলে এ-পাড়া থেকে ছুটে যেত ও-পাড়ায়। দেখানোর জন্য, কী গৌরবের কাজ করেছে তারা! সাপ পিটিয়ে মেরেছে! সহজ কথা নয়।এখনকার দিনে মানুষ মারা হচ্ছে সাপের মতো। রীতিমতো খেলা শুরু হয়েছে মানুষের জীবন নিয়ে। পশুপাখির চেয়েও মূল্যহীন মানুষের জীবন! কিছু নয়, কেবল সন্দেহ! সন্দেহের বশে পিটিয়ে মারা হচ্ছে মানুষ। এসব আবার ভিডিও করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সামাজিক

‘সরল বিশ্বাস’ নিয়ে আমি দুদক প্রধানের অসহায়ত্ব দেখছি

  

পিএনএস : দুদক চেয়ারম্যানের বলা ‘সরল বিশ্বাস’ এবং পেনাল কোড নিয়ে কাল সারাদিন আলোচনা হয়েছে৷ সামাজিক মাধ্যমের পেন্ডুলাম নীতি অনুসারে যথারীতি প্রথমে জনাব মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঢেউ বয়ে চলে, আর এর পর আসে ‘সাংবাদিক বুঝে না' বাতাস৷পেনাল কোডে থাকা সরল বিশ্বাসে করা কাজ আর তার জন্য দায়মুক্তি ২০০ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীদের রক্ষাকবচ৷ তবে এটি আজকের যুগে মূল্যহীন আর পরিত্যক্ত৷ খোদ ইংল্যান্ডেই এটি তুলে দেওয়া হয়েছে মোটামুটি৷ ডিসি সম্মেলন থেকে বেরিয়ে দুদক চেয়ারম্যানের এ প্রসঙ্গের উল্লেখ অবশ্যই বিশেষ

এরশাদকে যেমন দেখেছি

  

পিএনএস ডেস্ক: ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনের তখন আর মাত্র ১৬ দিন বাকি। একটি জাতীয় দৈনিকে সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে নিয়োজিত থাকাকালে নির্বাচন কমিশন কভার করার দায়িত্ব পালন করছি। আমার নিজের বিশেষায়িত প্রতিরক্ষা বিট তো আছেই। সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত রিপোর্ট করা যে কী ঝক্কি-ঝামেলার ব্যাপার, তা ভুক্তভোগী ছাড়া অনুধাবন করা সম্ভব নয়। ওই নির্বাচনে আবার সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েন করায় প্রতিরক্ষা বিষয়েও তীক্ষ নজর রাখতে হতো। সকালে বের হয়ে চলে আসতাম নির্বাচন কমিশনে। এই

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বালিশ কেনে ছাত্রদল কর্মী, আপনি কি এই তথ্য বালিশকাহিনির পরে জানলেন?

  

পিএনএস ডেস্ক : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলেছেন, বালিশ কেনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ছাত্রদল করতেন৷ আমাদের প্রশ্ন, আপনি কি এই তথ্য বালিশকাহিনির পরে জানলেন? নাকি আগে থেকেই আপনার কাছে তথ্য ছিল?একজন অভিযুক্ত আগে কোন দল বা সংগঠন করতো, কোন রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল– এটা বলে আপনি কী প্রমাণ করতে চাইলেন?সাড়ে দশ বছর ধরে আপনি ও আপনার দল ক্ষমতায়৷ এখনো ছাত্রদলের লোকেরা বালিশ কিনতে পারছে, আর কী কী কিনছে তা তো এখনো আমরা জানি না৷ ধরা না খেলে তো আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব না যে, প্রশাসনে বা সরকারের

Developed by Diligent InfoTech