পাঠকের চিঠি

ধর্ষণে লজ্জা নয়, রুখে দাঁড়ান

  

পিএনএস ডেস্ক : হালিমা বেগমের জন্য আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আবার ক্ষোভও হচ্ছে। কষ্ট তাঁর অসহায়ত্বের কথা ভেবে। ক্ষোভ তাঁর বোকামি দেখে। পাঠক কি হালিমা বেগমকে চিনতে পেরেছেন? হালিমা বেগম ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানায় কনস্টেবল হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।২৫ এপ্রিল প্রথম আলোসহ কয়েকটি পত্রিকায় হালিমার খবরটি প্রকাশিত হয়। খবরে বলা হয়, ২ এপ্রিল দুপুরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার ব্যারাকের নিজ কক্ষে নিজের শরীরে আগুন দেন কনস্টেবল হালিমা। ওই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।৬

সন্ধ্যার পর ফার্মগেট ওভারব্রিজে দাঁড়ানো মেয়ের অজানা অবাক করা গল্প!

  

পিএনএস ডেস্ক : অফিস থেকে আধ ঘন্টা আগে বের হয়ে এসে দাঁড়িয়ে আছি ফার্মগেট ওভার ব্রিজের ওপর। মেয়েদের দাঁড়াবার জন্য জায়গাটাকে জায়গা না বলে অজায়গা বলা বেশি ভাল। তার ওপর সময়টা এখন সন্ধ্যা পেরিয়েছে। যে মেয়েটির দিকে আমি এখন তাকিয়ে, সে দাঁড়িয়ে আছে আমার থেকে বড়জোর দেড় হাত দূরে। তিন বছর আগে হলে এখন এখানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খেতাম মন দিয়ে। লেখালেখি শুরু করার পর থেকে জেনেছি, জানা অজানা সমস্ত মানুষ খেয়াল করে দেখতে হয়। না হলে লেখক হওয়া যায় না। মানুষ দেখার জন্য অবশ্য এখানে আমি নই আজ। তিনটার দিকে কমল ফোন

২৭ রজব ঘুমন্ত নগরীর কাহিনী: আওলাদ হোসেন

  

পিএনএস : (প্রতি বৎসর এই মাসে দিনে আমার একটি লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকে এবং কিছুটা উন্নততর চিন্তা যোগ দেয়ার চেষ্টা করি। ট্রেন ছেড়ে যাচ্ছে। আগেই খবর জেনে নিন অন্যথায় পরকালে সবই পর মনে হবে।) মক্কা ঘুমিয়ে পড়েছে। রাতের অন্ধকারে তাঁর এক বান্দাকে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন, যিনি মহিমান্বিত, যাতে নিদর্শন সমূহ দেখাতে পারেন, তিনি শোনেন এবং দেখেন। এর ব্যাখ্যা করা কঠিন অন্যত্র বলা হয়েছে ফা আওহা ইলা আবদেহী মা আওহা। .... মাজাগাল বাছারু ওয়ামা তাগা, লাকাদ রাআ মিন আয়াতি রাব্বিহিল কুবরা।

২রা মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস

  

পিএনএস: আসম আব্দুর রব, নূরে আলম ছিদ্দিকী, শাহজাহান সিরাজ ও আ: কুদ্দুস মাখন, এ চার ছাত্র নেতা পাকিস্তান আমলে চার খলিফা নামে খ্যাত। ৬ দফা ও ১১ দফাসহ সকল আন্দোলন সংগ্রামে শোচ্চার নেতৃত্ব ও নিয়ামক শক্তি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মবিশ্বাসী, সংগ্রাম ও তৎকালীন ছাত্র সমাজের প্রান শক্তি ছিলেন ওরা। তৎকালীন ও ইয়াইয়া ও পাকিস্তান সরকারের আতঙ্ক ছিলেন এই চার খলিফা। প্রভুত অনৈতিক ও লোভনীয় আশ্বাশে পদাক্ষাতকারী, বাঙ্গালী চেতনায় সমৃদ্ধ ও শোচ্চার ছিলেন তারা। এমনকি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সকল আন্দোলন

পুরুষতন্ত্র বলতে কেন পুরুষ বোঝে?

  

পিএনএস ডেস্ক : পুরুষতন্ত্র বলতেই মানুষ পুরুষ বোঝে। আচ্ছা কেন বোঝে? এই তন্ত্রের আগে মহিমান্বিত ‘পুরুষ’ শব্দটি বসেছে বিধায়? আবার নারীবাদী বলতেই মানুষ নারী বোঝে। কি অদ্ভূত হিসেব নিকেশরে বাবা! নারীবাদী কি শুধু নারীরাই নাকি? পুরুষরা নারীবাদী হতে পারে না? তারা নারী-পুরুষ সমানাধিকারে বিশ্বাস রাখতে পারে না?সচরাচর যখন নারী নির্যাতন, যৌন হয়রানি, মানসিক নির্যানের কথা বলি তখন খুব পরিচিত ভঙ্গিতে বলে উঠি ‘সব ছেলেরাই তো আর খারাপ নয়, অনেক ভাল ছেলেরাও আছে’। মেনে নিতে তখন একদম কষ্ট হয় না। বরং হালকাই লাগে এই

“এরশাদের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি”

  

পিএনএস ডেস্ক: ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর আপনি ক্ষমতা হস্তআন্তরের পর অনেক ঘাত, প্রতিঘাত, সংঘাত ও বাধা বিপত্তি থাকা সত্ত্বেও মনে হয়েছিল বাংলার জনগনের কাছে এরশাদ অঘোষীত সবচেয়ে জন প্রিয় সম্ম্রাট। ক্ষমতায় থাকাবস্থায় আপনি দেশ ও জাতি গঠনে ব্যস্ত ছিলেন কিন্তু দল গঠন ও রাজনীতি করেন নাই। আপনাকে ঐ সময় তৎকালিন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচার পতি শাহবুদ্দিন আপনার প্রতি আইনী অবিচার করা ও অপরাপর দল গুলোর শত বাধা বিপত্তি সত্বেও আপনি নিজে পাঁচটি আসনে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন সহ আপনার দল জাতীয়

বৈশাখ মানে-মাহবুবা মাসুমা অনু

  

পিএনএস : বৈশাখ মানে প্রখর রোদেঝলসান দিন রবি,বৈশাখ মানে নতুন করেআঁকানো জীবন ছবি।বৈশাখ মানে বজ্রবাতাসেগগনে অসনি বাঁশি,বৈশাখ মানে হাল খাতায়নতুন পাঁজির হাসি।বৈশাখ মানে ঈষাণ কোনেধূসর কালো মেঘ,বৈশাখ মানে ঘূর্নি হাওয়াঝড়ের তুমুল বেগ।বৈশাখ মানে মুছিয়ে ফেলাপুরনো সকল ভুল,বৈশাখ হোক সত্যের জয়অন্যায় হোক নির্মূল। পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

ওরা গোলাবারুদ দেবে, ‘জল’ দেবে না

  

পিএনএস ডেস্ক: ওরা ‘জল’ দেবে না, গোলাবারুদ দেবে। সাথে দেবে ফেলানিদের মতো লাশ ও ফেনসিডিল। মানুষ মেরে গরু রক্ষা করবে। শেখ হাসিনার প্রশস্তি গেয়ে বাঙালকে হাইকোর্ট দেখাবে। শেরেবাংলার বিখ্যাত তত্ত্ব- ‘যখন দেখবে ওরা আমার গুণগান করছে, তখন নিশ্চিত জানবে আমি তোমাদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছি’। বঙ্গবন্ধুকন্যা দিল্লির দরবারে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার মতো দৃঢ়তাটুকুও দেখাতে পারলেন না। সাবাস মমতা, আমাদের স্বার্থ ও অধিকার আমলে নিলেন না, পশ্চিমবঙ্গবাসীকে তো আশ্বস্ত করলেন।ভেবে দেখার বিষয় ছোট দেশ, সক্ষমতা

মাশরাফির জন্য বেদনা : পাপনও এখানে পাপেট মাত্র

  

পিএনএস (প্রভাষ আমিন) : জীবনের সব ক্ষেত্রে থামতে জানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাফল্যটা অবশ্যই দরকার। কিন্তু সেই সাফল্যের সীমাটাই জানা দরকার। যেমন ২০১৩ সালে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ সাফল্যের তুঙ্গ স্পর্শ করলেও কোথায় থামতে হবে সেটা না জানায়, গণমানুষের আবেগ অনেকটাই থিতিয়ে গিয়েছিল।খেলোয়াড়ি জীবনে থামতে জানাটা, এমনকি খেলতে পারার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অনেক খেলোয়াড় শুধু সময়মত অবসর নিতে না পারায়, ক্যারিয়ারে অনেক অর্জন থাকার পরও নিন্দিত হয়েছেন। এমনকি শচীন টেন্ডুলকারের মত গ্রেট খেলোয়াড়কে নিয়েও ফিসফাস

ভারতের বন্ধুত্ব বনাম নিরেট বাস্তবতা!

  

পিএনএস: মূল কথায় যাওয়ার পূর্বে প্রাসঙ্গিকতার হেতুতে ইতিহাস থেকে অতি সংক্ষিপ্ত দু’টো দৃষ্টান্ত টানছি। প্রথমঃ অবিভক্ত বাংলার প্রথম মূখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক বলেছিলেন, তোমরা যখন দেখবে কলকাতার দাদারা আমার প্রশংসা করছে তখন নিশ্চিতভাবে বুঝবে আমি দেশের বিরুদ্ধে কাজ করছি । বাংলার বাঘ খ্যাত মহান নেতা তার রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক দূরদর্শীতা এবং নির্মোহ বাস্তবতা থেকেই এ উক্তি করেছিলেন । দ্বিতীয়ঃ যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়ার নিরব যুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকেই । গত শতাব্দীর ’৯০ দশক পর্যন্ত

Developed by Diligent InfoTech