পাঠকের চিঠি

হকি খেলার কল্পকাহিনী

  

পিএনএস (মোঃ সিজান আহম্মেদ): বহু বছর অগের কথা। তখনকার দিনে লোকদের বয়স হলেও শরীরে হিম্মত ছিল। শরীর মজবুত ছিল। হঠাৎ গ্রিসের এক মরু অঞ্চলের মানুষদের মাঝে ‘বৃদ্ধ’ রোগ মহামারী আকার ধারণ করল। সেখান থেকে শুরু। গ্রিস থেকে মিশর, মিশর থেকে তুরস্ক, তুরস্ক থেকে কঙ্গো, কঙ্গো থেকে সারা বিশ্বে এ রোগ মহামারীরূপে ছড়িয়ে পড়ল। জাপানে এখনও যে বৃদ্ধ রোগীরা থাকে, তারা ঐ রোগের সর্বশেষ উত্তরসূরী। তারা বাঁচে বেশিদিন। তাই জাপানকে বৃদ্ধদের দেশ বলা হয়। যাহোক, এ রোগ যখন মঙ্গোলিয়ায় পৌছাল; তারা তো অতিষ্ট। কুস্তি, ঘোড় দৌড়,

ওবায়দুল কাদেরের কাউয়া তত্ত্ব, কাউয়া রক্ষকদের চিহ্নিত করুন

  

পিএনএস, নোয়াখালী : দেশে আলোচিত তত্ব যেন শেষ হচ্ছে না। বিরোধী দলের ঝাকুনিতে রানা প্লাজার ধ্বস কিংবা ‘আল্লার মাল আল্লাহ নিয়ে গেছেন’ এসব বক্তব্য এখনও জনগন ভুলেনি। এরশাদ সরকারের আমলে জাতীয় প্রেসক্লাবে হামলা প্রসঙ্গে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘অন্ধকারে পুলিশ প্রেসক্লাব টাহর করতে পারেনি’। এ রকতম বাহারি বক্তব্য-বিবৃতি শুনে অভ্যস্ত জাতি যুগের পর যুগ। উল্লেখিত বক্তব্য বিবৃতি ছিল চলমান কোন ঘটনার ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে। ইদানিং ক্ষমমতাসীন দলের ক্ষমতাধর ব্যাক্তিদের কাছ থেকে আসছে বা বলা হচ্ছে তা নিজ

গল্প রাখাল বালক

  

পিএনএস : ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন মানুষের সংখ্যা বিশ্বে খুব কম। তবে সঠিক নাম ও চেহারার আইডি ব্যবহার করে এমন লোকের সংখ্যাও কম। বিভিন্ন নামে চোহারায় একাধিক আইডির মাধ্যমে একেকজন ফেসবুক ব্যবহার করে যা মোটেই ঠিক নয় এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় দ্রুত প্রচারও যোগাযোগ মাধ্যমকে অনেকেই নোংড়া ও বাজে ছবি দিয়ে বাজে কাজে ব্যবহার করে যা মোটেই উচিৎ নয়। আমিও ফেসবুক ব্যবহার করি ২০১৫ সাল থেকে নিজ নামে নিজের চেহারায়। আমার ফেসবুক ফ্রেন্ডস সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার। আমি আমার কাজেই ব্যবহার করি। তবে আমি আমার ফেসবুকের সকলকে

নারী যদি

  

মোঃ মিজানুর রহমাননারী যদি ঘরে বসে রয়-প্রতিভা কি তাদের আর বিকশিত হয়?নারী যদি মমতাময় হয়-সবাইকে তখন সে আপন করে লয়।নারী যদি কল্যাণকামী হয়-অকল্যাণ পালায় কিংবা লুকায়ে রয়।নারী যদি হয় কোমলমতি-স্নেহের পরশে থাকে না ভয়-ভীতি।নারী যদি হয় সৎ-সাহসী-দুর্গম, দুস্তর পথ দিতে পারে পাড়ি।নারী যদি হয় বুদ্ধিদীপ্ত-তখন তারা হয় যে উজ্জল নক্ষত্র।নারী যদি কর্মঠ হয়-উন্নতির চাকা সর্বদা সচল হয়।নারী যদি শিক্ষক হয়-অক্ষরে অক্ষরে জ্ঞানের ধারা বয়।নারী যদি শিক্ষিত হয়-জাতি তখন

স্বাধীনতার ঘোষনার প্রকৃত ইতিহাস ও মির্জা আবু মনসুরের জবানবন্দি

  

পিএনএস, ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম : ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবদ্ধু শেষ মুজিবুর রহমানে ভাষণই ছিল মূলতঃ স্বাধীনতার ঘোষনা। ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার,এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’। বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষনায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা যা ২৫ মার্চ রাতে ‘অপারেশন সার্স লাইট’ চুড়ান্ত রূপ নেয়। স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়ে স্বাধীনতা বিপক্ষের শক্তি নানা ধরণের বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং আজও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়া। আসলে কি তাই? এবিষয়ে মির্জা আবু মনসুর(জোনাল কমান্ডার,

'বন্ধ হোক অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান অপারেশন

  

পিএনএস: সন্তান জন্মদান একটি প্রকৃতি নির্ধারিত স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। মেয়েরা কম বেশী ২৭০ দিন গর্ভধারণের পর যোনীপথে সন্তান প্রসব করেন - এটাই প্রকৃতির নিয়ম। তাই যোনীপথে সন্তান বেরিয়ে আসাকে নরমাল বা স্বাভাবিক ডেলিভারী বলা হয়। বিজ্ঞান বলছে শুধুমাত্র ১০-১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ডেলিভারী যোনীপথে হবে না, সেক্ষেত্রে তলপেট দিয়ে জরায়ু কেটে নবজাতককে বের করতে হবে। এই অপারেশনটির নামই হচ্ছে সিজারিয়ান সেকশন বা সি-সেকশন। এখানে কোন দ্বিমত নেই যে, সিজারিয়ান সেকশন একটি জীবন রক্ষাকারী পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি

বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার

  

পিএনএস: দেশের সকল ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বৈধ-অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।বিশেষ করে জঙ্গি তৎপরতা, সন্ত্রাসী হামলা, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, জমি দখলসহ বিভিন্ন শ্রেণীর অনৈতিক প্রভাব বিস্তারে অস্ত্র প্রদর্শনের মহড়া বাড়ছে।প্রশাসনের সামনে ফিল্মি স্টাইলে বুলেটের আঘাতে কেড়ে নেয়া হচ্ছে জীবন। অন্যায়ভাবে প্রাণ সংহারণে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রকে বৈধ বলার সাধ্য নাই; হোক সে লাইসেন্সধারী।এখানে দিনপঞ্জি থেকে এমন দিন অতিবাহিত হয়না যেখানে অবৈধভাবে বৈধ-অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহারে ভীতির রাজ্য

ধর্মঘটের নামে কোটি মানুষের ভোগান্তির আয়োজন!

  

পিএনএস: বাংলা ব্যাকরণের সমাস পাঠে ধর্মঘটের ব্যসবাক্য হচ্ছে, ‘ধর্ম রক্ষার ঘট’। অথচ বর্তমান সময়ে ধর্মঘট বলতে অধর্ম প্রতিষ্ঠার আয়োজনকেই বোঝায়। যে আয়োজনের দ্বারা রাষ্ট্রের কোটি কোটি মানুষকে বিপাকে ফেলা হয় তা কোনভাবেই ধর্ম রক্ষার `কলসি’ তুল্য হতে পারে না। সাধারণ মানুষ কিংবা সরকারকে জিম্মি করে কোন স্বার্থান্বেষী পক্ষ কিংবা কুচক্রী মহল তাদের অন্যায় দাবীকে চরিতার্থ করার হাতিয়ার হিসেবে ধর্মঘটের অপব্যবহার করে। তবে ধর্মঘট যে কেবল অনৈতিকতা প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার হয়েছে একথা অন্তত বিগত শতাব্দীর

ট্রাম্পের বিপরীতে তসলিমা

  

পিএনএস ডেস্ক: ট্রাম্প মানুষকে শিখিয়েছেন ঘৃণা করতে। মুসলিমদের ঘৃণা করতে। কালো-বাদামি-হলুদদের ঘৃণা করতে। শরণার্থীদের ঘৃণা করতে। গরিব বিদেশিদের ঘৃণা করতে। পঙ্গুদের ঘৃণা করতে। তাই লোকে ঘৃণা করছে।ঘৃণা করতে করতে এক সাদা আমেরিকান আজ দুজনকে গুলি করেছে। দুজনই ভারতীয়। দুই জনই প্রকৌশলী। একজন গুলিতে মারা গেছে, আরেকজন বেঁচে আছে। মনে হচ্ছে, আরও লোককে মরতে হবে এভাবে। মানুষ তো আসলে একইরকম দেখতে। হিন্দু দেখতে মুসলমানের মতো, মুসলমান দেখতে হিন্দুর মতো, খিস্টান দেখতে ইহুদির মতো, ইহুদি দেখতে মুসলমানের

মাদকসেবীদের কুফল, সকলের জেনে রাখা উচিৎ

  

পিএনএস ডেস্ক: বিভিন্ন উদ্ভিদজাত দ্রব্য বা রাসায়নিক ঔষধ, যা মানুষ স্বাভাবিক প্রয়োগ (যেমন চিকিৎসা) ব্যতিত ক্ষণিকের আনন্দ-ফুর্তি বা বিলাসিতাবশতঃ বা হতাশা থেকে মুক্তি পাবার জন্য অননুমোদিতভাবে গ্রহণ করে থাকে এবং ধীরে ধীরে তাতে নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে, সেগুলোকে মাদক দ্রব্য বলা যায়। নেশা বলতে বুঝায়, কোন মন্দ কিছুতে অত্যাসক্তভাবে অভ্যস্ত হয়ে পড়া, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় ধফফরপঃরড়হ। মাদকে নেশাগ্রস্থ হয়ে মানুষ বাহ্যজ্ঞান হারিয়ে অপ্রকৃতিস্থ হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। একজন মাদকাসক্ত

Developed by Diligent InfoTech