পাঠকের চিঠি

মন্ত্রী যা বললেন, আমরা যা জানলাম

  

পিএনএস ডেস্ক : কঠিন সত্যকে ভালোবাসাও বড্ড কঠিন। ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে উচ্চ আদালত একটি দিকনির্দেশনামূলক রায় দিয়েছেন। রায়টি সরকারের পছন্দ হয়নি। উচ্চ আদালতের রায়ের বিরোধিতা, প্রধান বিচারপতির অপসারণ চেয়ে আন্দোলন ইত্যাদিতে আদালত অবমাননা হয় কি না, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই ভেবে দেখবেন। কিন্তু এ নিয়ে বাগ্‌যুদ্ধের সীমা বিষয়ে হুঁশিয়ার থাকা উচিত। শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এই রায় প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতিকে লক্ষ্য করে জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়েছেন। জ্বলতে জ্বলতে একপর্যায়ে তিনি বলে ফেলেছেন, ‘এ দেশ স্বাধীন না

গায়ের কালো ভালো, মনের কালো ছাড়ো

  

পিএনএস ডেস্ক : ‘কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি’ অথবা ‘নাচে নাচে রে মোর কালো মেয়ে’। এসব গান আমরা কমবেশি সবাই শুনেছি। পড়েছি ‘কালো জগতের আলো’। কিন্তু হৃদয়ে ধারণ করেছি কতটা?চলতে-ফিরতে, বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠানে, বন্ধুর আড্ডায় কালো মেয়েদের এখনো তো কম হেয় করা হয় না। গায়ের রং কালো বলে মজার ছলে হলেও এখনো অনেক কথা শুনতে হয়, হজম করতে হয় মেয়েদের। কালো মেয়েদের তুলনায় বলাই বাহুল্য কালো ছেলেদের বিড়ম্বনা কম। কথায় বলে, সোনার আংটি বাঁকা হলেও ক্ষতি নেই।আমাদের চিন্তাচেতনার মধ্যেই ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, কালো মানেই

আত্মহত্যার এই প্রবণতা কেন?

  

পিএনএস ডেস্ক : শুভ ধর ছিলেন অবস্থাপন্ন পরিবারের সন্তান। বাবা রঞ্জিত ধর বড় ছেলেটির নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম রেখেছিলেন ‘শুভ জুয়েলার্স’। এইচএসসি পাস করার পর সেই ব্যবসার হাল ধরেছিলেন শুভ ধর নিজেই। জমজমাট ব্যবসা। ফলে ২৫-২৬ বছরের যুবকটির অন্তত অর্থনৈতিক কোনো সমস্যা ছিল না। তাহলে কেন তিনি বেছে নিলেন আত্মহননের পথ? নিশ্চিত-নিরাপদ জীবনে কী এমন হতাশা গ্রাস করেছিল তাঁকে?এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য গিয়েছিলাম বাঁশখালীর উত্তর জলদী এলাকায় রঞ্জিত ধরের বাড়িতে। বণিকপাড়ায় বড় জায়গাজুড়ে সুন্দর দোতলা পাকা

একটি স্মৃতি (ভিডিওসহ)

  

পিএনএস (সৈয়দ হাফিজুল ইসলাম): কোন এক সময় ছিল, যখন সময় পেলেই লিখতে বসতাম। জাস্ট হাতে খড়ি। মন থেকে যা আসতো তাই লিখতাম। কখনো গদ্য আকারে কখনো পদ্য আকারে। গদ্য আর পদ্য যেভাবেই লিখতাম না কেন অধিকাংশই লিখতাম সাথে সাথে মন থেকে সেই পদ্যটিকে সুরের ফ্রেমে আবদ্ধ করতাম। মনে মনে বা আস্তে আস্তে গাইতাম। মিউজিক ছাড়াই গাইতাম বন্ধুদের সাথে বিকেলে কিংবা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে কোথাও গাছের নিচে বা ব্রিজের উপরে বসে। এরকমই দিন কাটতো সে সময়। এখন আর তেমন লিখি না। মনে আছে শেষ যে গানটা লিখেছিলাম তা ২০১৫ সালে। সবচেয়ে বেশি গান

বিশ্বজিতের দ্বিতীয় মৃত্যু

  

পিএনএস ডেস্ক : আসুন, আবার আমরা বিশ্বজিতের হত্যাদৃশ্যে ফিরে যাই। আশপাশে পুলিশ ছিল, তারা আর হত্যাকারীরা একপক্ষে দাঁড়িয়ে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন দমনে রাজপথে ছিল। চারপাশে জনতা ছিল, যে জনতা ছিল রাজায়-রাজায় যুদ্ধের উলুখাগড়া। বিশ্বজিৎ ওই জনতারই একজন ছিল। বিশ্বজিৎ না হয়ে অন্য কোনো পথচারীও সেদিন এমন কচুকাটা হতে পারত। সাংবাদিক ছিল; যাঁদের ভিডিওর কারণে বিশ্বজিতের খুনীদের মুখ আমরা চিনেছিলাম। কিন্তু আসলে কোথাও কেউ ছিল না। থেকেও তারা না থাকার মতো নিশ্চল শরীরে ভয়ংকর সেই হত্যাদৃশ্য চেয়ে চেয়ে দেখেছে বা পালিয়ে

দৃষ্টি সবার লন্ডনে

  

পিএনএস ডেস্ক: জঙ্গিবাদ ইস্যুর আড়ালেও দেশের রাজনীতির অন্ধরমহলে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিকভাবে সরকার যে বেশ চাপের মুখে পড়েছে এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। সরকারি মহল এ কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করুক কিংবা নাইবা করুক, তারা যে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে তা তাদের কথাবার্তা আর চালচলনেও প্রতীয়মান। এমনকি ক্ষমতাসীনদের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের অবয়বেও সেটা দৃশ্যত হচ্ছে। ফলে এই অস্বস্তি কাটাতে সরকারি মহলে চলছে নতুন কৌশল, খুঁজছে নানা পথ। এরই অংশ হিসেবে হয়তো

‘লাল বাসে’র ছবি তুলেই ফরম্যাট হয়ে যাচ্ছে মোবাইল!

  

পিএনএস: অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ সফরে আসছে টিম অস্ট্রেলিয়া। এমন খবর পেয়ে অফিস থেকে সংবাদ সংগ্রহের জন্য ছুটে গেলাম মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মাঠে গিয়ে জানলাম বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বনানীতে। তাই সেখানে ছুটে গেলাম। ভীষণ খুশি আর অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতির কথা শুনে আবার যখন মিরপুর যাচ্ছিলাম তখন বৃষ্টির কল্যাণে মিরপুরের পিচঢালা রাস্তাটা পরিণত হয়েছে ইতালির ভেনিস নদীতে! একটু বৃষ্টি হলে

সমকালীন ভাবনা : বগুড়ার বর্বরতা, সোনার ছেলে তুফান-মানিক ও নীতিহীন রাজনীতি

  

পিএনএস ডেস্ক: জানিনা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের গন্তব্য কোথায়? তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা ও পরিস্থিতির আলোকে সহজেই অনুমেয়- আমাদের সমাজ কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে। আমাদের সামজিক নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধ কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে! আজ হৃদয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আর একজন পুরুষ হিসেবে নিজের প্রতি খুবই ঘৃণা আর ক্ষোভ হচ্ছে। সমাজের পুরুষ রূপী কিছু অমানুষের পশুর মতো আচরণে যেন সমাজে বেঁচে থাকাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। নারীদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলাই দুষ্কর। কেননা, আমার কোনো বোন যদি পুরুষ রূপী এসব অমানুষের কুৎসিত

প্রিয় বুয়া, এই চিঠি আপনাকে লিখছি!

  

পিএনএস (জাহান রিমা) : আপনাকে লিখছি কেন জানি না। আপনি তো পড়তে জানেন না! তবে জানি, আমাদের ঘরের কথা, ক্রাইসিস, আনন্দ, বেদনার আঁচে আপনিও ছিলেন। এই ১৩ বছরে আমি কিশোরী থেকে পূর্ণ যুবতী হয়ে গেলাম। মধ্যের সময়গুলোতে আপনি আমাদের ঘরেই ছিলেন তবু ঘরের সদস্য সংখ্যা গণনাতে অন্তর্ভুক্ত হলেন না।আপনি আমাদের বুয়া।আপনি বিয়ে করবেন না। সাহেবি ভাষায় যাকে বলে ডিটারমাইন্ড।পুরুষ মানুষ নেমকহারাম। বিয়েশাদি জীবনে একবার। সমাজ নামের চুলার আগুনে চা উতরানোর মতোই আপনার মনের আগুন জ্বলে ওঠে এসব কথা। ছ্যাঁৎ! এসব জ্বলনের

“পাহড় ধ্বস নয় এ যেন, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড”

  

পিএনএস ডেস্ক: গত রমজানে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়েকটি জেলায় অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড় ধ্বসে দেড় শতকের ও অধিক লোক প্রাণ হারিয়েছে। এমনকি আরো শত শত লোক আহত হয়েছে ও বাস্তু ভিটা হারিয়েছে। শুধু তাই নয় উদ্ধার কাজ চালাতে গিয়ে আমাদের দুই জন সেনা কর্মকর্তা সহ চারজন সেনা নিহত ও দশজন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০০৭ সালেও অনুরূপ শতাধিক লোক সর্বগ্রাসী পাহাড় ধ্বসে প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলে প্রায় বছরেই দুই চারজন করে পাহাড়ে বসবাসরত সাধারন মানুষ পাহাড় ধ্বসে প্রাণ বিসর্জন

Developed by Diligent InfoTech