কার্যকর হয়নি শাকিব-অপুর তালাক

  

পিএনএস ডেস্ক: আইনগতভাবে তালাকের নোটিশ পাঠানোর তিন মাস অর্থাৎ ৯০ দিনের মধ্যে দম্পতির মধ্যে সমঝোতা না হলে তাদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। সে অনুযায়ী চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে নায়ক শাকিব খানের পাঠানো তালাকনামার ৯০ দিন পূর্ণ হলো আজ।

তবে আজই ঘরভাঙার চূড়ান্ত ঘোষণা হচ্ছে না। এজন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে ১২ মার্চ পর্যন্ত। হ্যাঁ, ভুল বুঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে শাকিব-অপু আবারও একসঙ্গে থাকবেন কিনা, নাকি তারা আলাদাই জীবন শুরু করবেন সেটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেতে ১২ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শাকিব-অপুর তৃতীয় ও শেষ শুনানি হবে আগামী ১২ মার্চ। তালাক কার্যকরের বিষয়ে সেদিন সবকিছু চূড়ান্ত হবে।’

গত বছরের ২২ নভেম্বর শাকিব খান তার আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে অপুর কাছে তালাকের নোটিশ পাঠান। একইসময়ে শাকিব খানের পক্ষে ডিনএসিসির মেয়র কার্যালয়, অপু বিশ্বাসের ঢাকার নিকেতনের বাসা এবং বগুড়ার ঠিকানায়ও তালাকের এই নোটিশ পাঠানো হয়।

কিন্তু পরে জানা যায়, অপু বিশ্বাসের হাতে তালাকনামা পৌঁছে ১২ ডিসেম্বর। এর ঠিক একমাস পর চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তারকাদম্পতির সংসার অটুট রাখতে সালিশি বৈঠক ডাকে ডিএনসিসি। তবে বৈঠকে অপু উপস্থিত থাকলেও ছিলেন না শাকিব। তার একমাস পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি ডাকা ডিএনসিসি’র বৈঠকে শাকিব কিংবা অপু কেউই উপস্থিত হননি।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল গোপনে বিয়ে করার পর ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শাকিব-অপুর সম্পর্কের ফল হয়ে আসে সন্তান আব্রাম খান জয়। সন্তানের বিষয়টি তারা গোপন রাখে। এরপর ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল এক বিকেলে ৬ মাস বয়সী সন্তানকে কোলে নিয়ে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে এসে সব গোপন ফাঁস করে দেন অপু বিশ্বাস। নিজেকে শাকিবের স্ত্রী ও কোলের সন্তানকে তাদের সম্পর্কের ফসল বলে দাবি করেন অপু।

এর পর থেকেই শাকিব-অপুর সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। বন্ধ হয়ে যায় তাদের দেখা-সাক্ষাতও।

পিএনএস/আলআমীন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech