১০০০ জন পাচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহযোগিতা

  

পিএনএস ডেস্ক : করোনার কারণে খেলাধুলা বন্ধ থাকায় আর্থিক ক্ষতির মুখে বিভিন্ন ফেডারেশনের খেলোয়াড়রা। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। এর আগে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত সবধরনের খেলাধুলা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন তিনি। করোনার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থগিতাদেশ বেড়েছে অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত। মন্ত্রী বলেন, লকডাউন যতদিন চলবে, ততদিন সবধরণের খেলা স্থগিত থাকবে।

মুজিব বর্ষের এই সময়টায় সরগরম থাকার কথা ছিল দেশের ক্রীড়াঙ্গন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১০০টির বেশি টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু করোনার চোখ রাঙ্গানিতে বন্ধ হয়ে যায় দেশের সব ক্রীড়া ইভেন্ট। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন ক্রিকেট ও ফুটবলের বাইরের ক্রীড়াবিদরা।

কারণ ক্রিকেটার ও ফুটবলার ছাড়া বড় পারিশ্রমিক পান না অন্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়রা। কোনো কোনো ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়দের তো ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’ অবস্থা। ফেডারেশনের কোচ ও খেলা সংশ্লিষ্ট মাঠকর্মীদের অবস্থা আরও করুণ। বিপদের এই দিনে আশার বানী শুনিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তা করা হবে। পরিস্থিতি বুঝে অবশ্যই ১০০০ জনের অধিক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা এই সহায়তা পাবেন। খেলোয়াড়দের ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ করে জাহিদ বলেন, আপনি নিরাপদে থাকুন, তাহলে আমরা সবাই নিরাপদে থাকবো। সবার কাছে অনুরোধ আপনারা বাসায় থাকুন।

করোনো মোকাবেলা ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সরকারের পাশে আছে জানিয়ে রাসেল বলেন, আমরা এই দুযোর্গ মোকাবেলায় সরকারকে সবধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুতি আছি। করোনা মোকাবিলায় প্রয়োজনে দেশের সকল স্টেডিয়ামে অস্থায়ী হাসপাতাল হবে- এই নির্দেশনাও দেয়া আছে।

পিএনএস/ জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন