কিশোরগঞ্জে ৮ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন

  

পিএনএস, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি : আগামী ২৮ ডিসেম্বর নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে পিতা পূত্রসহ ৮ প্রার্থীর মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন। প্রতীক পাওয়ার পর থেকে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা।

নির্বাচন অফিস সূত্রে ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের পক্ষের ভোটারদের নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রথমে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকতারুল ইসলাম উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসে। তার সাথে সাথেই উপ-নির্বাচনে অংশ গ্রহন করা প্রয়াত চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেনের ২য় ছেলে মারুফ হোসেন অন্তিক রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আসে। কিছুক্ষণ পরে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী জোনাব আলী দলীয় লোকদেরকে সাথে নিয়ে ও তার ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী জুলফিকার রহমান জুয়েল তার পক্ষের কয়েকজন ভোটারকে সাথে নিয়ে নির্বাচন অফিসে এসে পাশাপাশি বসে। পরে সোয়া ১১টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজুলী বেগম তার পক্ষের কয়েক শত লোকদের সাথে নিয়ে ও বিপ্লব কুমার সরকার নির্বাচন অফিসে আসে।

তবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জিকরুল হক ও আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোজাহার হোসেন প্রতীক বরাদ্দের শেষ সময়ে আসেন নির্বাচন অফিসে। তবে দলীয় প্রার্থী হিসাবে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোজাহার হোসেন (নৌকা), বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জিকরুল হক (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির জোনাব আলী (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মোকতারুল ইসলাম (চশমা), বিপ্লব কুমার সরকার (দুটি পাতা), কাজুলী বেগম (ঘোড়া) প্রতীক গ্রহন করে নির্বাচন অফিসে বসে থাকে।

অপর প্রার্থী দু’জন প্রয়াত চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেনের ছেলে তার বাবার পছন্দের প্রতীক মোটর সাইকেল প্রতীকের জন্য পছন্দ দিলেও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী জোনাব আলীর ছেলেও মোটর সাইকেল প্রতীকের জন্য পছন্দ দেন। কিন্তু দু’জনের মধ্যে মোটর সাইকেল প্রতীকের বিষয়ে কেউ ছাড় দিতে নারাজ। পরে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী আইন অনুযায়ী লটারীর মাধ্যমে জুলফিকার আলী জুয়েলকে (মোটর সাইকেল) ও প্রয়াত চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেনের ২য় ছেলে মারুফ হোসেন অন্তিক (আনারস) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন অফিস ত্যাগ করেন।

প্রতীক পাওয়ার পর গোটা উপজেলা শহরে প্রার্থীরা মিছিল নিয়ে নিজ ইউনিয়নে ফিরে যান। দুপুর ২টার পর থেকে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নে মাইকিং ও জনসংযোগে জমে উঠেছে নির্বাচনী আমেজ। পাশাপাশি বিভিন্ন হাটবাজারে চায়ের দোকানে জমজমাট ব্যবসাও শুরু হয়েছে। প্রার্থীদের পক্ষের লোকজন ভোটারদের মন জয় করতে সাধারণ মানুষকে ডেকে নিয়ে চায়ের দোকানে চা খাইয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মনোয়ার হোসেন বলেন, নির্বাচনী এলাকায় আচরণ বিধি লংঘন কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন কাজ করবে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল



 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech