সরাইল-আশুগঞ্জে লাখো মানুষের স্বপ্ন পূরণে রাজনীতির মাঠে আইনজীবী সৈয়দ তানভীর হোসেন

  

পিএনএস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মোঃ রাকিবুর রহমান রকিব : "স্বপ্ন" মানুষকে বাঁচাতে শেখায়, অনুপ্রেরণা যোগায়। এ স্বপ্ন আবার মানুষকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়। প্রতিটি মানুষের জীবনে একটা স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে মানুষের কত আয়োজন ! শুধু একটা স্বপ্ন পূরণ করতে নিজের জীবন পর্যন্ত বিলিয়ে দেওয়ার নজিরও পৃথিবীতে আছে। এ জন্যই হয়তো পরমানুবিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালাম বলেছিলেন, "স্বপ্ন তা যা মানুষকে ঘুমোতে দেয় না"

এক সময়ে মানুষ নানা স্বপ্নে বিভোর থাকে, তার ব্যতিক্রম ছিল না ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির বিশিষ্ট আইনজীবী সৈয়দ তানভীর হোসেন কাউছারের।

তাঁর ভাবনা-এমন কিছু করতে হবে, যাতে করে সবার জন্য কাজ করা যায় খুব সহজে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরও একটি স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন একটি স্বাধীন দেশের একটি স্বাধীন জাতির। তিনি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক, বিজয়ী জাতি।

বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে সৈয়দ তানভীর হোসেনও একজন আওয়ামী পরিবারের সদস্য এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর হৃদয়ে চেতনায় আদর্শ বুকে ধারণ করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর একজন ত্যাগী কর্মী হিসেবে সরাইল আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পদার্পন করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলীনগর সৈয়দবাড়ি গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা শহীদ বুদ্ধিজীবী সৈয়দ আকবর হোসেন বকুল মিয়া।
তিনি বেড়ে ওঠার সময়ে সবুজ মাঠ, গ্রামের মেঠো পথ তাঁর সহজ সরল মনটিকে সব সবসময় সতেজ করে রাখতো। শিশু, কিশোর পুরো সময়টাই কেটেছে সবুজে। এক সময়ে সবুজের সমারোহ থেকে পুরো যান্ত্রিক শহরে। প্রথমে মানিয়ে নিতে বেশ কষ্ট হয়েছিল তাঁর। উচ্চ শিক্ষা ভর্তির পর অচেনা শহর ও শিক্ষা জীবনে খাপখাইয়ে নিতেই দীর্ঘ সময় লেগেছে তাঁর।

শৈশবে পিতাকে হারিয়ে ছাত্র জীবন শুরু করার পর সৈয়দ তানভীরের স্বপ্ন পুরণের চলার পথে নানা ঘাত-প্রতিঘাত শত বাঁধা বিপত্তি হানা দেয়। তারপরও হাজার প্রতিবন্ধকতার মাঝেও তিনি সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে যেতে দেয়নি। হতাশ হয়নি কখনো। তানভীর হোসেন মনে করতেন, সৃষ্টিকর্তা একদিন না একদিন ঠিকই তার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দিবেন এবং তিনি বিশ্বাস করতেন তাঁর স্বপ্ন যদি সত্যিকারের স্বপ্ন হয়, আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তাঁর স্বপ্ন পূরণ করবেন।

রাজনীতি মাঠের প্রথমদিকেই সৈয়দ তানভীর হোসেন জানিয়েছিলেন, তিনি দেশ ও দেশের মানুষের সেবা করতে চান, সেই থেকেই রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানা কর্মকাণ্ডে তাঁর সরব উপস্থিতি প্রায়ই অনেকের নজর কাড়ে। এখানকার পরিছন্ন রাজনীতির মাঠে সকলের পরিচিত মুখ আইনজীবি তানভীর। প্রায়ই সবার বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া নিজের কাজের একটি অংশ হিসেবে তিনি মনে করেন।

সরাইল ও আশুগঞ্জ এই দুই উপজেলায় দলীয় এবং সামাজিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে কোন জায়গায় নেই তাঁর সরব উপস্থিতি— তা বলা মুশকিল।

একজন সফল আইনজীবি হিসেবে যেমন ভালো, মানুষ হিসেবে রাজনীতির মাঠে ভালো পরিচয় বহন করে নানান গুণের অধিকারী সৈয়দ তানভীর হোসেন। রাজনীতি মাঠ জুড়ে ভালো মানুষ আর ভালো আইনজীবী হিসেবে তাঁকে চেনেন সবাই। সৈয়দ তানভীর হোসেন শুধু একটি নাম নয়; ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবি সমিতি থেকে শুরু করে নানা মহলে এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। অসাধারণ, দৃষ্টিনন্দন আচরণের শৈলীর জন্য তিনি সর্ব সমাজের মাঝে বিখ্যাত। সেই সঙ্গে মধুর ব্যবহার, নম্রতা মিলিয়ে ‘ভদ্রলোকের জন্য রাজনীতি’ আওয়ামী রাজনীতির এক অনুপম দৃষ্টান্ত তিনি। তানভীর হোসেন মুজিব আর্দশে লালিত এক জলন্ত অগ্নিশিখার নাম।

এডভোকেট সৈয়দ তানভীর হোসেন সরাইল আওয়ামীলীগের অলংকার, দলের দুঃসময়ের একজন পরীক্ষিত ত্যাগী নেতা, মেধা মনন, সৎ, পরিছন্ন রাজনীতির আইডল। রাজনীতি জগতের অনিন্দ রূপকথার রাজকুমার তানভীর হোসেন । তাইতো তিনি অতিস্বল্প সময়ে স্থান করে নিলো এখানকার হাজারো মানুষের হূদয়ে, তাদেরই একজন প্রিয় মানুষ হিসেবে।

এক সময়ে আইন পেশায় তিনি ব্যস্ত রাখতেন নিজেকে। আর অবসরে চলতো সেবামূলক নানা কাজ। দেশ সেবায় নিজেকে নিবেদিত করতে চেয়েছিলেন সৈয়দ তানভীর। তাঁর আগামী নিয়ে বলতে গেলে রাজপথের অতন্দ্র প্রহরী, হাজারো মেহনতি-জনতার প্রিয় মানুষ তানভীর হোসেনের ইচ্ছে, তিনি একজন ভালো রাজনীতিবিদ হতে চান। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান। প্রমাণ করতে চান, ভালো মানুষেরা রাজনীতি করলে সবাই তাকে ভালোবাসেন।দেশ এগিয়ে যায়। সেবা করা যায় গণমানুষের।

তবে এটাও ঠিক একজন ভালো রাজনীতিবিদ ছাড়া দেশের সামগ্রিক বা সবার সেবা করা কখনোই সম্ভব না। তাই নিজেকে সেই জায়গায় পৌঁছাতে চান তিনি। তাঁর মতে, সু-সংগঠিত পরিছন্ন রাজনীতি-ই রাজনীতির মূল স্রোতধারা। কেননা সঠিক রাজনীতিই রাজনৈতিক অঙ্গনকে সুসংগঠিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রত্যেকটি নেতা কর্মীকে দেশের মঙ্গলার্থে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারলে, তবেই ডিজিটাল বাংলা রূপকার, বিদ্যানন্দিনী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিকে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধশালী এবং উন্নত দেশ উপহার দেয়া সম্ভব হবে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech