এবার বাবাকে নিয়ে যা বললেন ত্রিশলা!

  

পিএনএস ডেস্ক :বাবার বায়োপিকের কল্যাণে তাঁকে এই মুহূর্তে বিবিধ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। একান্ত ব্যক্তিগত সেই সব প্রশ্নের উত্তর ত্রিশলা দিয়েছেন বিপুল যত্নের সঙ্গে।

রাজকুমার হিরানির ‘সঞ্জু’-তে তাঁর উল্লেখই নেই। তাই বলে তিনি যে ‘নেই’, তা তো হতে পারে না! বাজারে যখন রমরম করে চলছে বাবার বায়োপিক, তখনই সরব হলেন সঞ্জয়-কন্যা ত্রিশলা।

১৯৯৬ সালে যখন মা রিচা শর্মা মারা যান, তাঁর বয়স তখন মাত্র ৮। তার পরে বাবা সঞ্জয়ের থেক ক্রমাগত দূরে সরে যাওয়া। এই মুহূর্তে ত্রিশলা আর সঞ্জয়— দু’টি নাম একত্রে উচ্চারিত হয় না বললেই চলে। ত্রিশলা থাকেন নিউইয়র্কে তাঁর মাসি এনার সঙ্গে। তিনি নিউ ইয়র্কের জন জে কলেজ অফ ক্রিমিনাল জাস্টিস থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক।

ইনস্টাগ্রামে ত্রিশলা রীতিমতো সক্রিয়। তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ২৫০,০০০। বাবার বায়োপিকের কল্যাণে তাঁকে এই মুহূর্তে বিবিধ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। একান্ত ব্যক্তিগত সেই সব প্রশ্নের উত্তর ত্রিশলা দিয়েছেন বিপুল যত্নের সঙ্গে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, ইনস্টাগ্রামে ত্রিশলাকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কার মতো, বাবা, না মা? উত্তরে ত্রিশলা জানিয়েছেন, তাঁর মেজাজ-মর্জি একেবারেই বাবার মতো। কিন্তু মায়ের মতোই তিনি কোমলপ্রাণ, দয়ালু। ‘সঞ্জয় দত্তের মেয়ে’— এই পরিচিতি তাঁকে কি বিড়ম্বনায় ফেলে? উত্তরে তিনি বলেছেন— একেবারেই না। এই পরিচিতি তাঁর কাছে একান্তই স্বাভাবিক।

বাবাকে ছেড়ে থাকতে কেমন লাগে— এই প্রশ্নেরও সম্মুখীন হতে হয়েছে তারকা-সন্তানকে। ত্রিশলা লিখেছেন— একেবারে গোড়ায় তো বাবার সঙ্গেই থাকতেন! তবে, তা তাঁর মনে নেই। কারণ তখন তিনি নেহাতই শিশু। তার পরে জ্ঞানত আর থাকেননি। ফলে বাবার সঙ্গে থাকা আর সঙ্গে না-থাকার পার্থক্যটা তিনি অনুভব করতে পারেন না।

তারকা-সন্তানের বিড়ম্বনা তাঁকেও স্পর্শ করে। হিরানি ছবিকে সরল করতে গিয়ে এক জটিল অধ্যায়কে এড়িয়ে গিয়েছেন— এই কথা যখন সমালোচকরা লিখছেন, তখন ত্রিশলার এই পোস্ট অন্য এক সঞ্জয়ের কথাই বলে। একা, বিচ্ছিন্ন, বিষণ্ণ সঞ্জয়। যাঁর আর এক পরিচয় একজন পিতার। সঞ্জয়ের সেই রূপ কিন্তু অধরাই রয়ে গিয়েছে হিরানির ব্লকবাস্টার ছবিতে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech