পিএনএস ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি এবং আরও দুজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এই রায়ের মধ্য দিয়ে শহীদ ও আহত ব্যক্তির পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
রোববার (২৮ জুন) রায় ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রায় যথার্থ হয়েছে। তারা এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছেন। মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, এক আসামিকে যাবজ্জীবন ও এক আসামিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি।
মো. আমিনুল ইসলাম মনে করেন, ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে শহীদ ও আহত ব্যক্তির পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। এর আগে, রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে এই মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান (এরইমধ্যে চানখাঁরপুলের মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে), ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রামপুরা থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত এই চার আসামিই বর্তমানে পলাতক।
এ ছাড়া এই মামলায় এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে। আজ রায় ঘোষণা উপলক্ষে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পিএনএস/রাআ
রায়ে শহীদ ও আহত ব্যক্তির পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর
29-06-2026 02:35AM

