বিয়ের পর সম্পর্ক টেকাতে...

  

পিএনএন ডেস্ক : বিয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনায় যাঁদের ঘাটতি থাকে, তাঁদের অনেককেই হাহুতাশ করতে শোনা যায়। প্রেমহীন দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যে সহজেই বিশ্বাসভঙ্গের ঘটনা ঘটতে পারে। এতে ভেঙে যেতে পারে সংসার। তাই সম্পর্ক যাতে টিকে থাকে, সে জন্য দুজনেরই সচেতন থাকা উচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সম্পর্ক সুরক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপগুলোই মূলত মধুর সম্পর্ক গড়তে সাহায্য করে। সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গের সন্দেহ তৈরি হলে অনেকেই সোজাসাপ্টা পদ্ধতি খোঁজেন। কেউ কেউ সঙ্গীকে সরাসরি বলে ফেলেন, প্রতারণা করলেই সম্পর্কের ইতি। এতে মনে ভয় কাজ করে। ফলে অনেক সময় এই সোজা কথাতেই কাজ হয়। কিন্তু সম্পর্ক টেকাতে ভালোবাসার সম্পর্ক মজবুত করা বেশি জরুরি। জেনে নিন করণীয়গুলো:

ভালোবাসা
মধুর দাম্পত্য সম্পর্কে প্রতারিত হওয়ার ভয় কাজ করে না। নিজের নেওয়া পদক্ষেপগুলো থেকেই মধুর সম্পর্কের সূচনা হতে পারে। গবেষকেরা বলছেন, মধুর সম্পর্কের সাধারণ বিষয়গুলো পরস্পরকে বুঝতে হবে। বাড়াতে হবে আত্মসচেতনতা। বিশ্বাস, কাছে থাকার অনুভূতি ও ভালোবাসা দাম্পত্যে সুখ বাড়িয়ে দেয়।

বোঝাপড়া
সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুজন দুজনকে বোঝা উচিত। যদি দাম্পত্যে অসন্তুষ্টি এসে ভর করে, তবে সম্পর্কের বন্ধন আলগা হয়ে যেতে পারে। শুধু সম্পর্কের খাতিরে সম্পর্ক রাখার চেয়ে আন্তরিকভাবে কাছে থাকা, ভালোবাসা জরুরি। এ জন্য চাই বোঝাপড়া। পরস্পরকে নিজেদের কথাগুলো বুঝিয়ে বলুন, দাম্পত্যের বন্ধন শক্ত হবে।

অহেতুক সন্দেহ
পরস্পরের প্রতি অহেতুক সন্দেহ সম্পর্কের বন্ধন আলগা করে দেয়। ভয়, পরস্পরের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির মানসিকতা একবার পেয়ে বসলে সম্পর্ক গতি হারায়। সন্দেহের পরিবর্তে ভালোবাসা তৈরি করতে নিজেদের সর্বোচ্চটা করতে হবে। সম্পর্কের বাঁধন মজবুত করার বিষয়গুলোয় জোর দিতে হবে।

প্রলোভন সামলান
জীবনে চলার পথে নানা প্রলোভন সামনে আসতে পারে। প্রলোভনে পা না দেওয়ার ব্যাপারে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই সতর্ক থাকতে হবে। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস অটুট রাখতে হবে। দুজনের মধ্যকার দূরত্ব ঘুচিয়ে দিতে হবে। দূরত্ব কমাতে পারলে প্রলোভন ব্যর্থ হবে।

খোলামেলা আলোচনা
খোলামেলা আলোচনায় অনেক সমস্যার সহজ সমাধান মেলে। দাম্পত্যের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। স্বামী-স্ত্রীর উচিত পরস্পরের মধ্যকার যেকোনো মতভেদ নিয়ে খোলামেলাভাবে আলোচনা করা। কথা চেপে রাখলে তাতে অসন্তোষ বাড়ে। অসন্তোষের প্রভাব সম্পর্কে পড়ে।

অনুভূতি বিনিময়
ভালো লাগা-ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে জড়তা কাজ করে। অনেকে বিষয়টিকে গুরুত্বও দেন না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনুভূতির বিনিময় সম্পর্কের গভীরতা বাড়ায়। বাড়ায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, নির্ভরতা। আর অনুভূতি চাপিয়ে রাখলে ভুল বোঝাবুঝি থেকে সম্পর্কের বন্ধন আলগা হতে পারে।

তথ্যসূত্র: হাফিংটন পোস্ট

পিএনএস/জে এ /মোহন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech