বড় জমায়েত নয়, ঈদে কাশ্মীরে অশান্তি এড়াতে নির্দেশ প্রশাসনের!

  

পিএনএস ডেস্ক : বড় মসজিদগুলিতে ঈদ উপলক্ষ্যে বহু মানুষের জমায়েত করতে দিচ্ছে না প্রশাসন। স্থানীয় মসজিদেই সবাইকে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঈদ উপলক্ষ্যে যে কোনও বড় জমায়েত অশান্তিবাজদের হামলার নিশানা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবারের নমাজ শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটিয়েছিল প্রশাসন। এবার ঈদও কোনও অশান্তি ছাড়া পালন করার চেষ্টা চলছে। যে সমস্ত এলাকায় পাথর ছোড়ার ঘটনা আগে বারবার ঘটেছে, সেই সমস্ত এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সোমবার কুরবানির ঈদ ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা কাশ্মীর উপত্যকাকে। ঈদের বিশেষ নামাজের পর কোথাও কোথাও অশান্তি দেখা দিতে পারে বলে খবর রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে। তাই একদিকে মানুষকে ঈদের নামাজ পড়তে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া, অন্যদিকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ প্রশাসনের সামনে।

বড় মসজিদগুলিতে ঈদ উপলক্ষ্যে বহু মানুষের জমায়েত করতে দিচ্ছে না প্রশাসন। স্থানীয় মসজিদেই সবাইকে নমাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঈদ উপলক্ষ্যে যে কোনও বড় জমায়েত অশান্তিবাজদের হামলার নিশানা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত শুক্রবারের নমাজ শান্তিপূর্ণ ভাবেই মিটিয়েছিল প্রশাসন। এবার ঈদও কোনও অশান্তি ছাড়া পালন করার চেষ্টা চলছে। ঈদ-উল-জুহা উপলক্ষ্যে কেনাকাটার জন্য কাশ্মীরের কিছু কিছু দোকানপাটও খুলেছে। যে সমস্ত এলাকায় পাথর ছোড়ার ঘটনা আগে বারবার ঘটেছে, সেই সমস্ত এলাকায় বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

কাশ্মীরে ঈদ উপলক্ষ্যে মোবাইল, ল্যান্ডলাইন বা ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয়নি। কাশ্মীরে ১৪৪ ধারা ফের জারি করা হলেও জম্মুতে তিন-চারটি শহর ছাড়া ১০ জেলা থেকেই কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। ঈদে পরিবারের সবাইকে যাতে সাধারণ মানুষ শুভেচ্ছা জানাতে পারেন, তার জন্য ৩০০টি বিশেষ টেলিফোন বুথের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech