প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়

  

পিএনএস ডেস্ক: আবেদন শেষে পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করা হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে।

এ বিষয়ে শনিবার (২৪ অক্টোবর) ডিপিই’র সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার বলেন, আগামীকাল (রোববার) থেকে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে। আবেদন শেষে পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে। চলতি অর্থবছরে (জুন মাসের মধ্যে) নিয়োগ পরীক্ষা শেষ করা হবে। এরপর ফলাফল প্রকাশের কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, আবেদনকারীর সংখ্যার ওপর নির্ভর করে কত ধাপে পরীক্ষা নেয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। আবেদনকারীর সংখ্যা কম হলে অল্পসময়ে নিয়োগ পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হবে। প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হলে লিখিত পরীক্ষা শেষ করতে বেশি সময় লাগবে। তবে মোট শূন্য পদের চেয়ে প্রায় তিনগুন বেশি প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে।

এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে শূন্য আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে এ সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে বলে জানা গেছে।

রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদ এবং জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিইডিপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্বখাতে সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে জাতীয় স্কেলে ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভঅবে এসব নিয়োগ দেয়া হবে। তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।

প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা করার পর অ্যাপ্লিকেশন কপি প্রিন্ট করতে হবে। সঠিকভাবে পূরণকৃত অ্যাপ্লিকেশন কপির ইউজার আইডি দিয়ে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। একবার আবেদন ফি জমা দেয়ার পর অ্যাপ্লিকেশন ফরম কোনো অবস্থায়ই সংশোধন বা প্রত্যাহার করা যাবে না। শুধু ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা এই সময় পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত এসএমএসের মাধ্যমে ফি প্রদান করতে পারবেন।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন