ডিমলায় বন্যায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হওয়ায় চালার নিচে পাঠদান

  

পিএনএস, নীলফামারী ডিমলা প্রতিনিধি : নীলফামারী ডিমলা উপজেলা ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ছাতুনামা মৌজার ৯ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পাশে যার মাঝখানে তিস্তানদী। তিস্তার ওপারে লালমনিরহাট জেলা হাতীবান্ধা উপজেলা। তার একটু দক্ষিনে জলঢাকা উপজেলা এরই মধ্যেবর্তী প্রত্যক্ত অঞ্চলে পূর্ব ছাতুনামা আমিন পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। খাল-খন্দক ও তিস্তার শাখা নদীগুলো পেরিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় একাধিকবার বিলীন হওয়া বিদ্যালয়টি কয়েকটি টিন জড়িয়ে ছাঁদ করে তারই নিচে ৪ জন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে পাঠদান করছেন।

বিদ্যালয়টি সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের সর্ম্পকে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন উক্ত বিদ্যালয়টি এখান থেকে আরও একটু পূর্বে স্থাপন করা হয়েছিল যার অবকাঠামো ছিল উপরে টিনসেড মেঝ পাকা, দূভার্গ্যরে বিষয় ২০১৭ সালের বন্যায় নিমিশে ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে যায়। সে সময় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ থেকে ৩ শত । অনেক শিক্ষার্থীর বাবা মা বন্যায় বাড়ী সড়িয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা ও চাপানীহাট ছাতুনামা কেল্লাপাড়া উঁচু স্থানে নিয়ে যায়। বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯১ জন । যাতায়ত এর বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষকগন বলেন বন্যায় যাতায়তের মাধ্যম হচ্ছে নৌকা বন্যার পানি কমলে খাল-খন্দক পেড়িয়ে সাতার কাটিয়ে স্কুল আসতে হয়।

এলাকাবাসী সহির উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আকতার আলী প্রমুখ বলেন, শিক্ষকগণ অনেক কষ্টে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন । আরও কথা হয় ইউপি সদস্য ছাইফুল ইসলাম ও উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তারা বলেন এলাকাবাসী , শিক্ষকবৃন্দ সহ সবার ঐক্য প্রচেষ্টায় বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঁশ খড় নিয়ে এসে চালামটি তৈরী করা হয়েছে । বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করি অবহেলিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত একটি পূর্নাঙ্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরী করে এই দূর্গম এলাকার অসহায় দরিদ্র পরিবারের কমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহন করে দেশ ও জাতির জন্য নিজেক যেন আত্মনিয়োগ করতে পারে ।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech