সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানি বিপদসীমার ১৫ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা পানি হরিপুর ও কাপাসিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা ১৫ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে ৬টি ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ হাজার পরিবার। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাজারও একক জমির মৌসুমি ফসল।

গত শনিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোলেমান আলী উপজেলার বেলকা, হরিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নে নদী ভাঙন কবলিত এবং পানিবন্দি ১ হাজার পরিবারদের মাঝে শুকনো খাবারসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। সরেজমিন এবং খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, গত শুক্রবার দিবাগত রাত হতে তিস্তার পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করে। উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় হতে জানা গেছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সে. মি. উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সে কারণে ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৪০টি চরে বসবাসরত পরিবারগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকার পরিবারগুলোর ঘরের টুই পর্যন্ত পানি উঠেছে। পানিবন্দি পরিবারগুলো আশ্রয় কেন্দ্র, উঁচু স্থান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষ করে গৃহপালিত পশুপাখি, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসূতি মা’দের নিয়ে চরম বিপদে পড়ে পানিবন্দি পরিবারগুলো। চরাঞ্চলের ১৫ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে এখন পর্যন্ত প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয় নাই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সোলেমান আলী জানান, চরাঞ্চলে বসবাসরত পরিবারগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে শুকনো খাবার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আরও ত্রাণ সামগ্রীর জন্য চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া মাত্রাই তা বিতরণ করা হবে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech