পিএনএস ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তেই ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে বিতর্কিত তিনটি সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। নিজের একান্ত অনুগত কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের ব্যবহার করেই এ নির্বাচনগুলোর মাধ্যমে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখেন শেখ হাসিনা। এ ছাড়া পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে বিভিন্ন স্তরের প্রায় ১০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী যুক্ত ছিলেন। কিন্তু চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর রাতের ভোট কিংবা একতরফা ভোটের সব দোষ পড়েছে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ওপর। তাদের মধ্যে চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ হওয়া অর্ধশত ডিসিকে এরই মধ্যে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। গুঞ্জন রয়েছে, ২০১৮ সালের ভোটে দায়িত্ব পালনকারী ডিসিদের চলতি সপ্তাহেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে। চাকরি হারানোর এমন গুঞ্জন শুনে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ভেঙে পড়েছেন। নিজেদের নির্দোষ দাবি করে সরকারের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন তারা। সচিবালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এরই মধ্যে চাকরিতে যাদের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সারসংক্ষেপ (সামারি) প্রস্তুত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ তালিকায় ২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ডিসিরা রয়েছেন। তারা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা। শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছিল। এরপর তাদের আর পদায়ন করা হয়নি। দীর্ঘদিন মাঠ প্রশাসনে কাজ করে আসা এসব কর্মকর্তা অত্যন্ত চৌকস হলেও ওএসডি হওয়ার পর থেকে কার্যত তারা কর্মহীন। তাদের চাকরি থেকে অবসরে পাঠানো হলে প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি খারাপ নজির তৈরি হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ভাষ্য, নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের এভাবে শাস্তি দেওয়া হলে তাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রশাসনের জন্য কালো নজির তৈরি হবে। সরকারকে এমন ‘বুমেরাং’ সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষে অন্ধভাবে কাজ করাদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। অন্য কর্মকর্তাদের সতর্ক করে কাজে লাগানো জরুরি। ডিসিদের অবসর চান না বিএনপিপন্থি কর্মকর্তারাও: প্রশাসনে বিএনপিপন্থি হিসেবে পরিচিত কর্মকর্তারাও বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের বাধ্যতামূলক অবসর চাচ্ছেন না। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রশাসনে প্রভাবশালী হয়ে ওঠা একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা অতীতের মতো প্রশাসনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দেখতে চান না। কর্মকর্তাদের ভুলভ্রান্তি থাকলে, তা শুধরে নিয়ে তাদের কাজে লাগানোর পক্ষে তারা। তাদের ভাষ্য, দক্ষ কর্মকর্তাদের অবসরে পাঠানো হলে দেশের ক্ষতি হবে। তা ছাড়া ভবিষ্যতে কখনো পটপরিবর্তন হলে আবারও বাধ্যতামূলক অবসরের ঘটনা ঘটবে। সুতরাং বাধ্যতামূলক অবসরের ‘খেলা’ বন্ধ করতে হবে। প্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া বলেন, ভোটে দায়িত্ব পালনকারী যেসব ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে এবং যাদের অবসরে পাঠানো পরিকল্পনা হচ্ছে, তা খুবই খারাপ নজির স্থাপন করবে। এটি ভবিষ্যৎ সরকারের জন্যও কঠিন পথ তৈরি করছে। কারণ সরকার যেমনই হোক, সবচেয়ে যোগ্য কর্মকর্তাদের বাছাই করেই ডিসি বানানো হয়। সুতরাং ডিসি পদে দায়িত্ব পালন করে আসা কর্মকর্তারা এখন খুবই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। তাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগানো উচিত। তবে পদে থেকে যারা রাজনৈতিক কর্মীর মতো আচরণ করেছেন এবং আওয়ামী লীগের পক্ষে অন্যায়ভাবে ভোট কারচুপিতে অংশ নিয়েছেন, তাদের অবশ্যই শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু ঢালাওভাবে সবাইকে শাস্তি দিয়ে প্রশাসনে আতঙ্ক তৈরির কোনো মানে হয় না। ভোট জালিয়াতি খুঁজতে কমিশনের প্রস্তাব: শেখ হাসিনার টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে যারা ভোট জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের চিহ্নিত করতে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের সুপারিশ দিয়েছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এমন প্রস্তাব করা হলেও এখন পর্যন্ত কমিশন গঠন করা হয়নি। ফলে ভোটের দায়িত্ব পালনকারী দোষীদের চিহ্নিতও করা হয়নি। অথচ ঢালাওভাবে কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাচ্ছে সরকার।
কর্মকর্তারা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পর ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি। সেই নির্বাচনে একতরফাভাবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করা কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করা জরুরি। কিন্তু স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন ও কমিশন থেকে প্রতিবেদন আসার আগেই ২২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। আরও ২৩ জনকে ওএসডি করে রাখা হয়েছে। এটি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের বৈষম্যমূলক আচরণ, কেননা ভোটে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনী এবং অন্য কর্মকর্তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। এ ছাড়া প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং নির্বাচন কমিশনাররা ভোটের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছায় ভোটের ফল পরিবর্তন হয়েছিল; কিন্তু শাস্তি পাচ্ছেন শুধু ডিসিরা। শাস্তির পরিধি শুধু ডিসি ও এসপিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাকে বৈষম্যই বলছেন বিশ্লেষকরা। সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া মনে করেন, নির্বাচনে ডিসিদের ক্ষমতা থাকে খুবই সীমিত। তারা শুধু ভোটের ফল যোগ করে তা নির্বাচন কমিশনে পাঠান। প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন কমিশন ও তাদের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অথচ শাস্তির ক্ষেত্রে ডিসিদের ঢালাওভাবে ওএসডি এবং বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো রাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ক্ষতি। এটি সরকারকে বিবেচনায় নিতে হবে। শাস্তির মুখে থাকা কর্মকর্তাদের অভিযোগ, একটি নির্বাচনের সঙ্গে নানা স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত থাকেন। উদাহরণ দিয়ে তারা বলেন, একটি ভোটকেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা হলেন প্রিসাইডিং অফিসার। তার নেতৃত্বেই সেই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ পরিচালিত হয়। ভোটে কোনো অনিয়ম দেখলে প্রিসাইডিং অফিসার চাইলে ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করার এখতিয়ার রাখেন। ভোট গ্রহণ শেষে ফলের একটি কপি প্রিসাইডিং অফিসার ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেন। একটি কপি তিনি সহকারী রিটার্নিং অফিসারে দায়িত্ব পালনকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠান। এমনকি একটি করে কপি তিনি পোলিং অফিসারদের দেন। এ ছাড়া প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করা পোলিং এজেন্টদের কাছে ভোটের ফলের কাগজ বুঝিয়ে দেন প্রিসাইডিং অফিসার। আর ওই কেন্দ্রের ফল ডিসির কাছে পাঠান ইউএনও। ডিসি জেলা নির্বাচনি কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কিংবা সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ফলের কপি দেন ওয়েবসাইটে আপলোড করার জন্য। অর্থাৎ ডিসি মূলত ভোটিং ব্যবস্থায় সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে ‘পোস্ট বক্স’ হিসেবেই কাজ করেন। তার কাছে নির্বাচনের ফল যা আসে, সেটাই তিনি সমন্বয় করে চূড়ান্ত ফল নির্বাচন কমিশনে পাঠান। আর নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ পুরোটাই দেখভাল করেন পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। অর্থাৎ একটি জেলায় নির্বাচনের সব দায়দায়িত্ব একজন ডিসির ওপর বর্তায় না। তিনি মূলত রিটার্নিং অফিসার হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেন। ওই তিন নির্বাচনে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন বিশেষ করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং এসআইরা (উপপরিদর্শক) বিতর্কিত ভূমিকায় ছিলেন। অথচ বিতর্কিত তিনটি নির্বাচনের সব দায় চাপানো হয়েছে ডিসি-এসপিদের ওপর। ন্যায়বিচার চান ‘অভিযুক্ত’ কর্মকর্তারা: ঢালাও বাধ্যতামূলক অবসরের চিন্তা না করে আরও যাচাই-বাছাই কিংবা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী শাস্তির দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ‘অভিযুক্ত’ ডিসিরা। তাদের ভাষ্য, কোনো কোনো ডিসি অতি উৎসাহী হয়ে তৎকালীন সরকারের পক্ষে অন্ধভাবে কাজ করেছেন। আবার অনেকেই তাদের বিবেকবুদ্ধির প্রয়োগ ঘটিয়েই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। তবে নানা কারণে তারা পুরোপুরি নিরপেক্ষ থাকতে পারেননি। এজন্য বিষয়গুলো আরও তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু তা হচ্ছে না। বরং এখনই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। আমাদের সঙ্গে যেন ন্যায়বিচার করা হয়। কারণ আমরাও দেশের নাগরিক।
২০১৮ সালের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা পার্বত্য একটি জেলার ডিসি বলেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমার জেলায় একটি মাত্র নির্বাচনি আসন ছিল। সেখানে রাতে কোনো ভোট হয়নি। দিনের ভোট দিনেই হয়েছে। সরকার চাইলে তদন্ত করে দেখতে পারে। কিন্তু তদন্তের আগেই আমাকে ওএসডি করেছে। চাকরি জীবনের শুরু থেকে রাষ্ট্রের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। অন্যায়ের সঙ্গে আপস করিনি। অথচ ঢালাওভাবে ওএসডি করার মাধ্যমে আমাকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমার জেলায় দুই প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। দুজনের ভোটের পার্থক্য ছিল খুবই কম। পরাজিত প্রার্থীর কোনো অভিযোগও ছিল না। সেখানে ৬১ শতাংশের বেশি ভোট কাস্ট হয়েছে। ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহারের পর ভালো কোনো মন্ত্রণালয়েও কাজ করার সুযোগ পাইনি। অথচ অনেক বড় শাস্তির মধ্য দিয়ে এখন জীবন যাচ্ছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।
প্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, নির্বাচন পরিচালনাকারী ডিসিদের ওএসডি ও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো খুবই অন্যায় সিদ্ধান্ত। যারা সত্যিকারভাবে অন্যায় করেছেন এবং আওয়ামী লীগ কর্মীর মতো আচরণ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সব ডিসি এমন আচরণ করেছেন বলে মনে হয় না। যোগ্য ও ভালো কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো দরকার ছিল। ঢালাও অবসরে পাঠালে ভবিষ্যতের সরকার ও প্রশাসন বিপদে পড়বে। বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তারাও একদিন বিপদে পড়বেন। এটি মনে রাখা জরুরি। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনগুলো হয়েছিল তৎকালীন সরকারের ইচ্ছায়। সেখানে ডিসিদের পক্ষে সরকারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়ার সুযোগ কি ছিল? ছিল না। সুতরাং একতরফাভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের শাস্তি দেওয়া ভালো লক্ষণ নয়। ভবিষ্যৎ প্রশাসন ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আরেকটি বড় জেলার সাবেক ডিসি বলেন, ‘আমার জেলায় ৪টি সংসদীয় আসন ছিল। আমি রিটার্নিং অফিসার হিসেবে ব্যালট পেপার পুলিশ ও আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের কাছে হস্তান্তর করেছিলাম। ভোটের দিন বিকেলে গণনা শেষে প্রিসাইডিং অফিসার আমাকে প্রতিটি কেন্দ্রের ফল পাঠান। রিটার্নিং অফিসার হিসেবে আমি শুধু ভোটের ফল যোগ করে নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছিলাম। প্রিসাইডিং অফিসাররা মূল দায়িত্বে ছিলেন। তারা কোনো লিখিত এমনকি মৌখিক অভিযোগ দেননি। অথচ এখন আমাদের বলা হচ্ছে, আমরা নাকি দিনের ভোট রাতে করেছি। এটি সম্পূর্ণ অন্যায়। আমাদের কি এমন ক্ষমতা ছিল যে, আমরা ভোটের ফল পরিবর্তন কিংবা দিনের ভোট রাতে করব। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা নির্বাচনে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করেছিল। বলতে গেলে আমাদের হাত-পা বাঁধা ছিল।’
পিএনএস/আনোয়ার
বিতর্কিত তিন নির্বাচন : শুধুই কি জেলা প্রশাসকরা দায়ী!
19-07-2026 10:16AM

