রাষ্ট্রদ্রোহী আসামীকে নিয়ে ইউএনও ওসিহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ইফতার

  

পিএনএস, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর দুমকিতে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার এক আসামীর সাথে ইউএনও ওসিহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ইফতার পার্টিতে অংশ নেয়ার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

সম্প্রতি দুমকি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত একটি ইফতার পার্টিতে দুমকি উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা কামরুন্নাহার, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ দিবাকর চন্দ্র দাসসহ এলাকার ব্যবসায়ী, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন পোশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। ওই ইফতার পার্টিতে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামী, পুলিশ যাকে হন্যে হয়ে খুঁজেও পাচ্ছিল না উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: খলিলুর রহমানও অংশ নেন। ইফতার মাহফিলে আলোচনার পাশাপাশি চলে ব্যাপক ফটোসেসন। ওইদিন রাতেই প্রেসক্লাবের আইডি ও কয়েকজন সাংবাদিক ও এক স্থানীয় আ’লীগ নেতার ব্যক্তিগত আইডিতে ওই ইফতার পার্টির ছবিগুলো পোষ্ট করায় বিষয়টি সর্বত্র ভাইরাল হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশাসনের এমন সখ্যতার হেতুও জানতে চেয়েছেন। কেউ কেউ বলছেন, রাষ্ট্রদ্রোহী মামলাটির নেপত্থ্যের কুশীলব আনোয়ার-জাকিরের বর্তমান অবস্থান ঠিক রেখেরাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে ভবিষ্যতে কাজে আসবে এমন চিন্তায়ই তারা বিএনপি সভাপতি খলিলুর রহমানকে ওই ইফতার পার্টিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ জেনে শুনে একজন রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামীকে সাথে নিয়ে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন সুমন বলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা জেনে শুনে অন্তত: রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার মতো স্পর্শকাতর মামলার আসামির সাথে পাশাপাশি বসে ইফতার পার্টি কেন? কোন অনুষ্ঠানেই অংশ নিতে পারেন না। নিশ্চয়ই ওই আসামীর সাথে সখ্যতা এবং গোপন যোগাযোগে লাভবান হয়ে এ কাজটি করে থাকতে পারেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে দুমকি থানার ওসি দিবাকর চন্দ্র দাস বলেন,-খলিলুর রহমান উপজেলা বিএনপির সভাপতি কিন্তু সে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামী না।

পিএনএস/আলআমীন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech