ঈশ্বরদীতে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ১২

  

পিএনএস ডেস্ক : অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের সময় মোবাইলে ভিডিও করে কয়েক যুবক। এরপর তা ছড়িয়ে দেয় ইন্টারনেটে। ঘটনার পর ছাত্রীর সংসার ভেঙ্গে গেছে। জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। এ অবস্থায় মামলা করলে রবিবার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ঘটনায় জড়িত ১২ জনকে। ঘটনাটি পাবনার ঈশ্বরদী এলাকার।

সূত্র জানায়, ঈশ্বরদীর একটি কলেজে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত এক ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে সম্প্রতি। তাকে প্রতারণামূলক একটি বাড়িতে আটকে কয়েক যুবক ধর্ষণ করে। তারা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে রাখে। এরপর সেই ভিডিও নিয়ে ছাত্রীকে নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে যুবকরা। এক পর্যায়ে তারা ইন্টারনেটে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। ধর্ষণের চিত্র দেখে ছাত্রীকে তালাক দেন স্বামী।

ছাত্রীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামে। রবিবার দুপুরে ঈশ্বরদীর সাহাপুর, মহাদেবপুর ও পৌরসভার সাঁড়া গোপাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে ১২ যুবককে। অভিযুক্তরা হল- মহাদেবপুর গ্রামের মানজুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান (২২), রেজাউল মন্ডলের ছেলে রাজিব মন্ডল (২১), আজিজুল ফকিরের ছেলে রাসেল ফকির (২০), দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের মৃত আক্তার হোসেনের ছেলে রাব্বি হোসেন (২০), তরিকুল ইসলামের ছেলে শিহাব হোসেন (১৯), কেদু শাহের ছেলে শামীম হোসেন (২২), সোলাইমান হোসেনের ছেলে সৈকত হোসেন (২২), রাজ্জাক আহমেদের ছেলে রাজু আহমেদ (২০), সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলাম সালমান (২১), সাহাপুর মধ্যপাড়ার দেবেন মহলদারের ছেলে ইমন মহলদার (২১), আশরাফুল ইসলামের ছেলে আশিকুর রহমান আশিক (২১) ও সাঁড়া গোপালপুর গ্রামের মাহবুর আহমেদের ছেলে মাহফুজ আহমেদ (২০)।

ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী বলেন, ' ভিকটিমের বাবা এজাহার দায়ের করেছেন। ১২ বখাটে যুবককে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ, চিত্র ধারণ ও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে অভিযোগ আনা হয়েছে।'

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech