সুন্দরগঞ্জে টিকা নেয়ার পরই শিশুর মৃত্যু

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা স্বাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যান কেন্দ্রের ইপিআই টিকাদান সেন্টারে নবজাতক শিশু মহসিন মিয়াকে (২২ দিন) টিকাদানের পরই মৃত্যু হয়েছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে। মহাসন উপজেলার জামাল গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে শিশুর মা সিজারের রোগী হওয়ার কারনে দাদীর কোলে চড়ে টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নেয়ার জন্য আসে। এ সময় টিকাদান কেন্দ্রের দায়িত্বে নিয়োজিত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারি লুচি বেগম শিশুর শরীরে বিসিজি টিকাসহ আরও একটি টিকাদেন। এরপর ঘুমান্ত অবস্থায় শিশু মহসিনকে বাড়িতে নিয়ে বিছানায় শুয়েদেন দাদী। টিকাদান কেন্দ্র হতে বাড়িতে যেতে সময় লেগেছে ১০ হতে ১২ মিনিট। শিশু মহসিনের মা তাকে দুধ খাওয়ানোর জন্য বিছানায় গিয়ে দেখতে পান নাক মুখ দিয়ে রক্ত রেড় হচ্ছে এবং মৃত্যু বরণ করেছে। শিশু মহসিনের বাবা আব্দুর রহিম মিয়ার দাবি একাধিক টিকা দেয়ার কারনে তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি করেছেন। স্বাস্থ্য সহকারি লুচ বেগম জানান, তিনি শিশু মহসিনের শরীরে শুধুমাত্র বিসিজি টিকা দিয়েছেন। এতে করে শিশুর মৃত্যু হওয়ার কথা নয়।

ইউপি চেয়ারম্যান নজমুল হুদা জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানা গেছে টিকা নেয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে শিশুটি মারা গেছে। তিনি বলেন টিকা না অন্য কারনে মারা গেল তা তদন্ত করা প্রয়োজন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আশরাফুজ্জামান সরকার জানান টিকা নেয়ার কারনে শিশুর মৃত্যু হতে পারে না। টিকার মেয়াদসহ টিকা প্রয়োগে কোন প্রকার ঘাটতি ছিল না। বিসিজি টিকা প্রয়োগে শিশুর মৃত্যু হয় এমন কোন তথ্য তার জানা নেই। কোন কারনে শিশু মহসিনের মৃত্যু হয়েছে তা তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে শিশুর মহদেহের সুরুতহাল রির্পোট তৈরি করেছে।

থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল জামান জানান এনিয়ে থানায় এখনও কোন প্রকার লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নি। তারপরও বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করছে।

পিএনএস/এসআইআর


 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন