করোনা বিধিনিষেধ কার্যকরে গিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ, যুবক নিহত

  

পিএনএস ডেস্ক : ফরিদপুরের সালথায় করোনার বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে জুবায়ের (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে আরও তিন জনকে। গতকাল সোমবার রাত ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ উপজেলা চত্বরে লাঠিসোটা নিয়ে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারের (ভূমি) গাড়ি ও তিনটি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয়দের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম জুবায়ের (২২)। তিনি রামকান্তপুর ইউনিয়নের মৃত আশরাফ আলীর ছেলে।

গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলা সদর থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরের ফুকরা বাজার থেকে ঘটনার সূত্রপাত। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, করোনাকালের বিধিনিষেধ কার্যকর করতে দুই আনসার সদস্য ও ব্যক্তিগত সহকারীকে নিয়ে এসি ল্যান্ড মারুফা সুলতানা ফুকরা বাজারে যান। সে সময় চা পান করতে আসা জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে লাঠিপেটা করা হয়েছিল বলে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ।

এই ঘটনার জেরে পরে ফুকরা বাজারে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, পুলিশের গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন। এমন গুজবে শত শত মানুষ গিয়ে থানা ও উপজেলা কমপ্লেক্স ঘেরাও করেন।

পুলিশের ভাষ্য, গতকাল সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সালথায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলে। সংঘর্ষের ঘটনায় ৭ পুলিশ সদস্যসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ও আনসার সদস্যরা শটগানের ৫৮৮টি গুলি ও ৩২টি কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন