কোরবানির জন্য এখনো ছাগলের হাটে ক্রেতাদের আনাগোনা

  30-05-2026 11:33AM


পিএনএস ডেস্ক : ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন অতিবাহিত হচ্ছে, তবুও কোরবানির পশু কিনছে হাটে যাচ্ছেন অনেকে। তাদের বেশির ভাগই কিনছেন ছাগল। কিছু মানুষ আগামীকালও হাটে যাবেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।‎

‎শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যার পর রাজধানীর মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ড সংলগ্ন মহানগর ছাগল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমিতির হাটে গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই কোরবানির জন্য ছাগল-ভেড়া কিনতে আসছেন।

‎শাওন (৬) ও জাফর (৭) দুই ছেলেকে নিয়ে এই হাটে আসেন মুফতি আবু তাহের। তিনি শনির আখড়ার নূর মসজিদের খাদেম। মসজিদের পাশেই একটি বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন।

‎মুফতি তাহের ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘ঈদের দিন কাজে ব্যস্ত ছিলাম। ছাগল রাখার জায়গা ছিল না, তাই ঈদের আগেও কিনিনি। আজ এলাম। কাল সকলে ইনশাআল্লাহ কোরবানি দেব।’

‎একই হাটে খাসি কিনতে এসেছিলেন গেন্ডারিয়া ফরিদাবাদের নাদিম আহমেদ। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও ছেলে সাফওয়ান।

‎নাদিম আহমেদ বলেন, ‘শেয়ারে গরু কোরবানি করেছি। ছেলে ছাগলের আবদার করেছে। ওর আবদার তো ফেলা যায় না। তাই ছোট সাইজের একটা খাসি কেনার চেষ্টা করছি।’

‎হাট ঘুরে কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই হাটে খাসির দাম বেশ চড়া। কারণ এখানে সারা বছরই ছাগল বিক্রি হয়। স্থায়ী অবকাঠামো থাকায় ছাগল থেকে গেলেও ব্যাপারীদের সমস্যা হয় না। এজন্য দামেও ছাড় দেন না তারা।

‎হোসাইন নামের এক ক্রেতা বলেন, কোরবানির শেষ সময় চলছে, তারপরও ব্যাপারীরা বেশি দাম বলছেন।

‎মো. কায়সার নামের আরেক ক্রেতা বলেন, আমি কাপ্তানবাজার থেকে এসেছি। সেখানে ছাগলের দাম বেশি মনে হলো। কিন্তু এখানে আরও বেশি দর চাচ্ছে। হাটে ৫ শতাধিক ব্যাপারী বছরজুড়েই ছাগল নিয়ে আসেন।

দাম বেশি হওয়ার বিষয়ে মানিকগঞ্জের ব্যাপারী মো. সুরুজ মোল্লা বলেন, আসলে দামদর না মিললে কেমনে দেবো। লাভ ছাড়া তো আর দিতে পারি না।

‎জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন হাটে যারা আসছেন, তারা সবাই কোরবানির জন্য ছাগল নিচ্ছেন। আগামীকালও দু-একজন করে কোরবানির জন্য ছাগল নিতে আসবেন।

‎কথা বলতে চাইলে হাটের ম্যানেজার তার নাম জানাতে অনিহা দেখান। তবে তিনি বলেন, শুক্রবার বিকেলেই ১৫০টির মতো ছাগল বিক্রি হয়েছে।


পিএনএস/এমএইউ

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন