পিএনএস ডেস্ক: রান তাড়ায় নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল মন্থর। পাওয়ার প্লে শেষ হতেই চড়াও হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমন। বাঁহাতি ব্যাটার ইমন ফিরলেও তানজিদকে যোগ্য সঙ্গ দেন দলনেতা তাওহীদ হৃদয়। ততক্ষণে জয়ের বন্দরেই অবস্থান করছিল টাইগাররা!
কিন্তু শেষ ওভারে দরকার যখন ৫ রান, তখন দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে জয়ের স্বপ্ন দেখান ব্র্যান্ড ইভান্স। পেতে পারতেন হ্যাটট্রিকও! এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েছিলেন শেখ মেহেদী হাসান। কিন্তু বলটি ডেড ঘোষণা করেন আম্পায়ার। পরে আর ভুল করেননি মেহেদী। চার হাঁকিয়ে দলকে জয়ের স্বাদ এনে দেন তিনি।
প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন ডিওন মায়ার্স। ৫৩ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ছিল দলের ভরসা। এছাড়া ব্রায়ান বেনেট ৩৮ বলে ৪৭ রান করেন। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৩, রায়ান বার্ল ৭ ও অন্য ব্যাটাররা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। মাহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন ও আবদুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ রানআউটও জিম্বাবুয়ের রান আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন দ্বিতীয় উইকেটে ৫৫ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন। ইমন ২২ বলে ২৪ রান করে ফিরলেও তানজিদ ইনিংসের হাল ধরে রাখেন।
অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ১৯ বলে ২৪ রান করেন এবং ইয়াসির আলী যোগ করেন ৯ বলে ১০ রান। শেষদিকে টানা দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও তানজিদ হাসান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। তিনি ৫৮ বলে ৬৬ রানের ইনিংসে ১টি চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান। শেষ বলে নয়, বরং ১৯.৪ ওভারে মাহেদী হাসানের বাউন্ডারিতে নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের জয়।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স দুটি করে উইকেট নেন। সিকান্দার রাজাও শিকার করেন ২টি উইকেট।
পিএনএস/এএ
রুদ্ধশ্বাস জয়ে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
19-07-2026 08:32PM

