পিএনএস, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: অল্প সময়ে কম খরচে অধিক লাভজনক হওয়ায় যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা।পতিত জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরা।তৈল জাতীয় শষ্যচাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকেরা।
সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে যেন মাঠ। সবুজ পাতার আড়ালে মুখ উঁচু করে আছে সূর্যমুখী। চারিদিকে সবুজের মাঝে হলুদের সমারোহ। অত্যন্ত লাভজনক ও পুষ্টিকর তেলবীজ ফসল সূর্যমুখী। কম খরচে কম সময়ে (৯০-১১০ দিন)করা যায় হারবেষ্ট। লিনোলিক অ্যাসিডযুক্ত ক্ষতিকর কোলেস্টেরল-মুক্ত তেল থাকে, যা হৃদরোগীদের জন্য নিরাপদ। দোঁআশ মাটিতে ও লবণাক্ত জমিতেও সফলভাবে চাষ করা যায়সূর্যমুখী। সূর্যমুখী তেল ভিটামিন ই হৃদপিণ্ডকে রক্ষা করে। তাই এর চাহিদা বাড়ছে দিনদিন।বিঘায় ফলে ৭খেকে ১০মন।প্রতিমন বিক্রি হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা। ফলে সুর্য্যমুখি চাষে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা।
চাষী- আলতাফ হোসেন ও মনির হোসেন জনান সবচেয়ে কম খরতে অল্প সময়ে পাওয়া যায় সুর্যমুখির ফলন।এর তেল ও ভাল। দাম পাওয়া যায় বেশি। তাই চাষ করতে আগ্রহ বাড়ছে তাদের।
কৃষি প্রধান উপজেলা যশোরের শার্শা। এই উপজেলায় ধান পাট আঘ গম ভুট্টা ও সরিষার আবাদ করেন কৃষকেেরা। তবে এসব চাষে লাভ কম হওয়ায় সুর্য্যমুখি তৈলবীজ চাষ শুরু করেছেন চাষীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা.দীপক কুমার সাহা জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় সাড়ে সাতশ শতক জমিতে হয়েছে সূর্যমুখী চাষ। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। সূর্যমুখীর ফলন হয়েছে ভাল।সূর্যমুখী চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। আগামীতে চাষ বাড়ার আশা কৃষিবিভাগের।
পতিত ও এক ফসলি জমিতে আবাদ করা যায়সূর্যমুখী। তাই চাষে বাড়ছে আগ্রহ। উপকৃত হচ্ছেন চাষী। সুর্যমুখির পুষ্টিকর তেলের চাহিদা ও যোগান বাড়ছে। চাষ বৃদ্ধির আশা কৃষকদের।
পিএনএস/এএ
যশোরে বাড়ছে সূর্যমুখী ফুলের চাষ, স্বাবলম্বী হচ্ছে চাষিরা
01-03-2026 10:12PM

