পিএনএস ডেস্ক: বিভিন্ন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীকে ঘিরে নানা ধরনের অপতৎপরতা ও বিভেদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় গৌরব ও সম্মানের প্রতীক জানিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বুধবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের মর্মান্তিক ঘটনার পরিণতি সবাই জানে। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনীসহ সকল জাতীয় প্রতিষ্ঠানের স্বমহিমায় বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশ সবার, তাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রত্যেককে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণার ইতিহাসেও একজন সেনা কর্মকর্তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। এই গৌরবময় ঐতিহ্য যাতে কখনো ম্লান না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, আত্মনির্ভরশীল ও শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্র হিসেবে মানবতার পক্ষে এবং আগ্রাসন ও সংঘাতের বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখে বিশ্বমঞ্চে কাজ করে যাবে এসময় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
পিএনএস/এমএইউ
দেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতীয় গৌরব ও সম্মানের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
10-06-2026 12:52PM

