প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, জানা যাবে ২ পদ্ধতিতে

  12-07-2026 01:04PM

পিএনএস ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষা, একাধিকবার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন এবং ফল আগাম উন্মুক্ত হওয়ার বিতর্কের পর অবশেষে প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করা হয়।

এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) ওয়েবসাইটে https://ipemis.dpe.gov.bd/scholarship-results ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করে রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে বিস্তারিত ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যাবে।

এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং প্রায় ৯০ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী রয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাচ্ছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বা মেধাবৃত্তি পাচ্ছে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পাচ্ছে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী।

বৃত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। সে অনুযায়ী সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬৬ হাজার এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৬ হাজার ৫০০টি বৃত্তি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ গ্রেডে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ২২৫ টাকা করে বৃত্তি পাবে। পাশাপাশি উভয় শ্রেণির বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালীন দুই বছর তারা এ সুবিধা ভোগ করবে।


পিএনএস/রাআ

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন